তোফােয়েল আহমেদ, নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের পাশে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘জিয়া স্মৃতি জাদুঘর’ সংস্কার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
আজ শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, বিগত সরকারের ‘প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির’ কারণে অবহেলা ও অযত্নে পড়ে থাকা ঐতিহাসিক এ স্থাপনাকে আবারও তার স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনা হবে। বর্তমানে জাদুঘরের কয়েকটি কক্ষ সংস্কারের জন্য খালি রাখা হয়েছে। আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি ও ব্যবহৃত বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষণ করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়া; ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর ভূমিকা দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, জাদুঘরের অনেক কক্ষ বর্তমানে খালি রয়েছে, কারণ সেগুলো সংস্কারের আওতায় রয়েছে। সংস্কার শেষে সেখানে জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচিহ্ন ও বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষণ করা হবে।
আজ শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, বিগত সরকারের ‘প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির’ কারণে অবহেলা ও অযত্নে পড়ে থাকা ঐতিহাসিক এ স্থাপনাকে আবারও তার স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনা হবে। বর্তমানে জাদুঘরের কয়েকটি কক্ষ সংস্কারের জন্য খালি রাখা হয়েছে। আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি ও ব্যবহৃত বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষণ করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়া; ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর ভূমিকা দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, জাদুঘরের অনেক কক্ষ বর্তমানে খালি রয়েছে, কারণ সেগুলো সংস্কারের আওতায় রয়েছে। সংস্কার শেষে সেখানে জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচিহ্ন ও বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষণ করা হবে।