কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল? আসিফ-হাসনাত-বিশেষ বরাদ্দ জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে

আপলোড সময় : ৩১-০৫-২০২৬ ০১:০১:১২ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ৩১-০৫-২০২৬ ০১:০১:১২ পূর্বাহ্ন
তোফােয়েল আহমেদ,  নিজস্ব প্রতিনিধি:   জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে ঘিরে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়ার করা অর্থ নেওয়ার অভিযোগ এখন দেশে তুমুল আলোচনার বিষয়। 
ওই অভিযোগ নিয়ে এই দুই নেতার দাবি, সংশ্লিষ্ট অর্থ কোনো ব্যক্তি গ্রহণ করেননি, বরং বিধি অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা এবং দেবিদ্বারের হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন।
এ অভিযোগের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কোন অর্থ এডিপির আর কোনটি রাজস্ব খাতের, সেটি আগে জানতে হবে। মন্ত্রণালয় থেকে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা জেলা পরিষদের মাধ্যমে মুরাদনগর ও দেবিদ্বারেও সেই বরাদ্দ পৌঁছেছে। এসব অর্থ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বিধি মোতাবেক ব্যয় হয়েছে এবং এর সকল নথিপত্র জেলা পরিষদে সংরক্ষিত রয়েছে।
তিনি অভিযোগের সমালোচনা করে বলেন, প্রকল্পভিত্তিক সরকারি বরাদ্দকে ব্যক্তিগত অর্থ গ্রহণ হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর।
অন্যদিকে, এক ভিডিও বার্তায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। দেবিদ্বারের জন্য ১০ কোটি নয়, ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং তা এডিপি প্রকল্পের আওতায় ব্যয় হয়েছে। জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসক এমনভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন যেন আমরা ব্যক্তিগতভাবে টাকা নিয়েছি। অথচ বাস্তবে অর্থটি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হয়েছে।
তবে রাতে জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, নিজস্ব রাজস্ব তহবিল হোক বা এডিপির বিশেষ বরাদ্দ-সবই সরকারি অর্থ। দুই উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দের আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো তদন্ত করা হবে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: ওবায়েদ উল্যাহ ভূলন

নির্বাহী সম্পাদক - মো: তোফাজ্জল হোসেন কামাল

বার্তা সম্পাদক- আফসানা রহমান

অফিস :

অফিস ঠিকানা: ১২৫/এ শান্তিনগর প্লাজা (৩ য় তলা) ঢাকা-১০০০।

ইমেইল: banglarelease24@gmail.com

মোবাইল নাম্বার: 01711 932 986, 01916 547 72