বাংলা রিলিজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে পশু কো রবানির পরপরই নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় একযোগে বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেছে।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি ও লালবাগ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনের ক্লিনাররা পিকআপভ্যান ও ঠেলাগাড়ি নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কো রবানির পশুর বর্জ্য সংগ্রহ করছেন। বর্জ্যগুলো সংগ্রহের পর তা দ্রুততার সঙ্গে ছোট ছোট ভ্যান থেকে বড় বড় ডাম্পিং ট্রাকে স্থানান্তর করে নির্দিষ্ট সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) নেওয়া হচ্ছে।
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈ দুল আজহার পবিত্রতা রক্ষায় এবং পরিবেশ দূষণ রোধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকির জন্য করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মাঠে রয়েছেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নাগরিকদের পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারসহ সিটি করপোরেশনকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার পাশাপাশি পরিবেশসম্মত উপায়ে কো রবানির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঢাকায় এ বছর প্রায় সাত লাখ পশু কো রবানি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ৫৪ হাজার টনের বেশি বর্জ্য তৈরি হবে। দ্রুত এসব বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। এ কাজে প্রায় ৪০ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত রয়েছেন।
সিটি করপোরেশনের পরিছন্নতা কার্যক্রম তদারককারী কর্মকর্তারা বলছেন, ঈ দের খুশির এ ছু টির সময়ে নগরবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা বিরামহীনভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। নগর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, খুব দ্রুতই পুরো শহর বর্জ্যমুক্ত হবে।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি ও লালবাগ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনের ক্লিনাররা পিকআপভ্যান ও ঠেলাগাড়ি নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কো রবানির পশুর বর্জ্য সংগ্রহ করছেন। বর্জ্যগুলো সংগ্রহের পর তা দ্রুততার সঙ্গে ছোট ছোট ভ্যান থেকে বড় বড় ডাম্পিং ট্রাকে স্থানান্তর করে নির্দিষ্ট সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) নেওয়া হচ্ছে।
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈ দুল আজহার পবিত্রতা রক্ষায় এবং পরিবেশ দূষণ রোধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকির জন্য করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মাঠে রয়েছেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নাগরিকদের পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারসহ সিটি করপোরেশনকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার পাশাপাশি পরিবেশসম্মত উপায়ে কো রবানির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঢাকায় এ বছর প্রায় সাত লাখ পশু কো রবানি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ৫৪ হাজার টনের বেশি বর্জ্য তৈরি হবে। দ্রুত এসব বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। এ কাজে প্রায় ৪০ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত রয়েছেন।
সিটি করপোরেশনের পরিছন্নতা কার্যক্রম তদারককারী কর্মকর্তারা বলছেন, ঈ দের খুশির এ ছু টির সময়ে নগরবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা বিরামহীনভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। নগর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, খুব দ্রুতই পুরো শহর বর্জ্যমুক্ত হবে।