বাংলা রিলিজ, বিনোদন ডেস্ক: মালয়ালম অভিনেত্রী মীরা ভাসুদেভান অভিনয়জীবনে কাজ করেছেন একাধিক আলোচিত সিনেমায়। এর মধ্যে রয়েছে ‘উরুভান’, ‘একানথাম’, ‘কুট্টামামা’, ‘থাক্কল’ ইত্যাদি। সম্প্রতি ধন্যা বর্মাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪৪ বছর বয়সি অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তার জীবনে ঘটে যাওয়া নানা খোলামেলা কথা; জীবনের ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ বছর তিনি ‘তিনটি বিয়ের পেছনে নষ্ট’ করেছেন বলে জানিয়েছেন।
এই তিন বিয়ে জীবনটাই ধ্বংস করে দিয়েছে বলে জানান মীরা ভাসুদেভান। তিনি বলেন, সেই সময়টুকু যদি নিজের ক্যারিয়ার, পরিবার কিংবা ব্যক্তিগত উন্নয়নে ব্যয় করতেন, তাহলে জীবন অন্য রকম হতে পারত।
মীরা ভাসুদেভান প্রথম বিয়ে করেছিলেন ২০০৫ সালে। মালয়ালাম চিত্রগ্রাহক অশোক কুমারের ছেলে বিশাল আগারওয়ালের সঙ্গে। তবে সেই সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি। ২০১০ সালের জুলাইয়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর দ্বিতীয় বিয়ে করেন ২০১২ সালে, মালয়ালাম অভিনেতা জন কোক্কেনকে। সেই দম্পতির একটি ছেলেসন্তানও রয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালে তাদের সম্পর্কেরও ইতিঘটে। দুজন দুদিকে।
এরপর ২০২৪ সালের মে মাসে চিত্রগ্রাহক ভিপিন পুথিয়ানকমের সঙ্গে তৃতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মীরা ভাসুদেভান। কিন্তু সেই সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ২০২৫ সালের আগস্টে তাদের বিচ্ছেদ হয়।
এই তিন বিয়ে জীবনটাই ধ্বংস করে দিয়েছে বলে জানান মীরা ভাসুদেভান। তিনি বলেন, সেই সময়টুকু যদি নিজের ক্যারিয়ার, পরিবার কিংবা ব্যক্তিগত উন্নয়নে ব্যয় করতেন, তাহলে জীবন অন্য রকম হতে পারত।
মীরা ভাসুদেভান প্রথম বিয়ে করেছিলেন ২০০৫ সালে। মালয়ালাম চিত্রগ্রাহক অশোক কুমারের ছেলে বিশাল আগারওয়ালের সঙ্গে। তবে সেই সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি। ২০১০ সালের জুলাইয়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর দ্বিতীয় বিয়ে করেন ২০১২ সালে, মালয়ালাম অভিনেতা জন কোক্কেনকে। সেই দম্পতির একটি ছেলেসন্তানও রয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালে তাদের সম্পর্কেরও ইতিঘটে। দুজন দুদিকে।
এরপর ২০২৪ সালের মে মাসে চিত্রগ্রাহক ভিপিন পুথিয়ানকমের সঙ্গে তৃতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মীরা ভাসুদেভান। কিন্তু সেই সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ২০২৫ সালের আগস্টে তাদের বিচ্ছেদ হয়।