বাংলা রিলিজ ডেস্ক: মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকায় একটি বাসা থেকে ৬ মাসের এক শিশুসহ একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৮ মে) ভোরে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস, তার স্ত্রী ইশা দাস ও তাদের ৬ মাস বয়সী এক কন্যাসন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের আমিরাবাদ এলাকার মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্ত্বনা রানী চন্দের বাসায় গত তিন বছর ধরে ভাড়া থাকেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রোববার বিকেলে মিষ্টি বাড়ৈর চাচাতো ভাই পরিচয়ে চিন্ময় দাস তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে নিয়ে ওই বাসায় আসেন। রাত গভীর হলে বাসা থেকে একটি ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
পরে ভোররাতে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ। ঘরে ঢুকে পুলিশ দেখতে পায়, চিন্ময় দাস ও তার ছয় মাস বয়সী শিশুকন্যা একই রশিতে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছিল। পাশেই বিছানার ওপর পড়ে ছিল স্ত্রী ইশা দাসের মরদেহ। স্থানীয়দের ধারণা, চিন্ময় দাস প্রথমে তার স্ত্রীকে হত্যা করে পরে নিজের সন্তানসহ আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনার সময় পাশের রুমে একা ছিলেন মিষ্টি বাড়ৈ। তার ফোন পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় মিষ্টি বাড়ৈকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহতরা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস, তার স্ত্রী ইশা দাস ও তাদের ৬ মাস বয়সী এক কন্যাসন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের আমিরাবাদ এলাকার মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্ত্বনা রানী চন্দের বাসায় গত তিন বছর ধরে ভাড়া থাকেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রোববার বিকেলে মিষ্টি বাড়ৈর চাচাতো ভাই পরিচয়ে চিন্ময় দাস তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে নিয়ে ওই বাসায় আসেন। রাত গভীর হলে বাসা থেকে একটি ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
পরে ভোররাতে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ। ঘরে ঢুকে পুলিশ দেখতে পায়, চিন্ময় দাস ও তার ছয় মাস বয়সী শিশুকন্যা একই রশিতে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছিল। পাশেই বিছানার ওপর পড়ে ছিল স্ত্রী ইশা দাসের মরদেহ। স্থানীয়দের ধারণা, চিন্ময় দাস প্রথমে তার স্ত্রীকে হত্যা করে পরে নিজের সন্তানসহ আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনার সময় পাশের রুমে একা ছিলেন মিষ্টি বাড়ৈ। তার ফোন পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় মিষ্টি বাড়ৈকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।