গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে স্বৈরশাসন জাতির ঘাড়ে চেপে বসবে : জামায়াত আমির

আপলোড সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০৭:৫০:১৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০৭:৫০:১৮ অপরাহ্ন
তোফােয়েল আহমেদ,  নিজস্ব প্রতিনিধি:    গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে দেশে সুশাসনের পথ সুগম হবে, নাহলে অতীতের চাইতেও ভয়াবহ স্বৈরশাসন জাতির ঘাড়ে চেপে বসবে বলে মন্তব্য করেছে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার (১৬ মে)  রাজশাহীতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 
জামায়াত আমির বলেন, সরকার ইতোমধ্যে এমন কিছু কর্মকাণ্ড করেছে যা জনগণের সঙ্গে ধোকার শামিল। তার দাবি, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় ১৬টি অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না করে সরকার সেগুলো কার্যত বাদ দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ১৬টি অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে বাংলাদেশে সুশাসন নিশ্চিত করা অসম্ভব। এগুলো বাস্তবায়ন না করলে আমাদের আন্দোলন সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও চলবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেই পথ ধরে স্বৈরাচার চলেছিল, একই পথ ধরে আপনারাও হাঁটছেন। অতীতে স্বৈরাচারের যে পরিণতি হয়েছে, আপনাদের পরিণতিও ভিন্ন হবে না যদি এই পথ থেকে ফিরে না আসেন।
জামায়াত আমির বলেন, বর্তমান সংসদের মেয়াদ মাত্র আড়াই মাস অতিক্রম করেছে। তারা এখনই কঠোর অবস্থানে যেতে চাননি, বরং সরকারকে ভুল সংশোধনের সুযোগ দিতে চেয়েছেন। আমাদের এই উদারতা যেন কোনো দুর্বলতা হিসেবে দেখা না হয়।
প্রতিবেশী দেশের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা প্রতিবেশীকে সম্মান করি। আমরা চাই না ধর্মের ভিত্তিতে সেখানে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম নামের পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। আমরা বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাবো। এছাড়া আমরা বাংলাদেশে কোনো সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টি করতে কাউকে দেব না।
এছাড়া তিনি বলেন, বাংলাদেশের চার ভাগের এক ভাগ পদ্মা এবং তিস্তার কারণে এখন প্রায় মরুভূমি হয়ে গিয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রথম সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ দিনের জন্য ফারাক্কাবাদ এটা বাস্তবায়নের সুযোগ দিয়েছিল এর কার্যক্রম। সরকারকে আমরা সাধুবাদ জানাই ইতিমধ্যে পদ্মা ব্যারেজের ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু এটা যেন শুধু লোক দেখানো ঘোষণা না হয়। কারো রক্ত চক্ষুর দিকে না তাকিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। পদ্মায় পানি আনতে হবে। 
 

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক ও প্রকাশক : 

নির্বাহী সম্পাদক : 

বার্তা সম্পাদক : 


অফিস :

অফিস : 

ইমেইল : 

মোবাইল :