বাংলা রিলিজ, বিনোদন ডেস্ক: ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে মারা যান আলোচিত কনটেন্ট কিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে খবরটি নিশ্চিত করেন তার বাবা জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ।
তার এই অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও ভক্তদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কারিনার মরদেহ রোববার (১৭ মে) ভারতের চেন্নাই থেকে দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন তার বাবা কায়সার হামিদ। গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় শনিবার (১৬ এপ্রিল) কারিনার মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না।
কায়সার হামিদ বলেন, প্রিজার্ভ সংক্রান্ত কিছু বিষয় আছে। সব প্রক্রিয়া শেষে আজ বেলা ৩টার ফ্লাইট ধরা সম্ভব নয়, তাই আগামীকাল রোববারের ফ্লাইটে চেন্নাই থেকে ঢাকায় আসবে ওরা।
রোববার (১৭ মে) বিকাল ৩টা নাগাদ কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।
লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক দিন ধরেই সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়।
সেখানে ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। এরপর লিভার ট্রান্সপ্লান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরে কারিনার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়।
কারিনার আকস্মিক অকাল প্রয়াণের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোবিজের নির্মাতা, সহকর্মী ও ভক্তরা গভীর শোক প্রকাশ করছেন।
তার এই অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও ভক্তদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কারিনার মরদেহ রোববার (১৭ মে) ভারতের চেন্নাই থেকে দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন তার বাবা কায়সার হামিদ। গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় শনিবার (১৬ এপ্রিল) কারিনার মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না।
কায়সার হামিদ বলেন, প্রিজার্ভ সংক্রান্ত কিছু বিষয় আছে। সব প্রক্রিয়া শেষে আজ বেলা ৩টার ফ্লাইট ধরা সম্ভব নয়, তাই আগামীকাল রোববারের ফ্লাইটে চেন্নাই থেকে ঢাকায় আসবে ওরা।
রোববার (১৭ মে) বিকাল ৩টা নাগাদ কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।
লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক দিন ধরেই সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়।
সেখানে ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। এরপর লিভার ট্রান্সপ্লান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরে কারিনার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়।
কারিনার আকস্মিক অকাল প্রয়াণের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোবিজের নির্মাতা, সহকর্মী ও ভক্তরা গভীর শোক প্রকাশ করছেন।