নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫ শিশুর শরীরে।
আজ শনিবার (৯ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল ৯৪৬ জন। এর মধ্যে ৭৬৯ জনের অবস্থা গুরুতর বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ৪৮৯ জন শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সন্দেহভাজন শিশুর সংখ্যা ২৯১ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে।
তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৯৭৯ শিশু। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৬৫৬ জনে। বিপুলসংখ্যক এই আক্রান্ত শিশুর মধ্যে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৩ হাজার ৬৩১ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন।
আজ শনিবার (৯ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল ৯৪৬ জন। এর মধ্যে ৭৬৯ জনের অবস্থা গুরুতর বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ৪৮৯ জন শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সন্দেহভাজন শিশুর সংখ্যা ২৯১ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে।
তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৯৭৯ শিশু। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৬৫৬ জনে। বিপুলসংখ্যক এই আক্রান্ত শিশুর মধ্যে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৩ হাজার ৬৩১ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন।