বাংলা রিলিজ, স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মানেই যেন বিতর্ক। ২০২৫ বিপিএল যেন বিতর্কের সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। নানা অব্যবস্থাপনার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিক্সিংয়ের কালো থাবার অভিযোগও ওঠেছিল। সেটি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিপিএলের ১২তম আসরের ফিক্সিং তদন্তে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটিও গঠন করেছিল বোর্ড।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছর ৯০ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল তদন্ত কমিটি। এরপর সেটি পর্যালোচনা করছিল বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট। পর্যালোচনা শেষে এবার শাস্তি ঘোষণা করল দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপিএলে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত পাঁচজনের নাম এবং শাস্তি ঘোষণা করেছে বিসিবি। যেখানে একজন ক্রিকেটারও রয়েছেন।
শাস্তি পাওয়া পাঁচজন হলেন- চট্টগ্রাম রয়্যালসের লজিস্টিকস ম্যানেজার লাবলুর রহমান, লেট টাইটান্সের ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিক, নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলের সহ-সত্বাধিকারী তৌহিদুল হক তৌহিদ, সামিনুর রহমান ও ঘরোয়া ক্রিকেটের অমিত মজুমদার।
এই পাঁচজনকে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কার্যক্রম থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিসিবি। তবে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে শাস্তি পাওয়া ব্যক্তিরা আপিল করতে পারবেন।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছর ৯০ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল তদন্ত কমিটি। এরপর সেটি পর্যালোচনা করছিল বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট। পর্যালোচনা শেষে এবার শাস্তি ঘোষণা করল দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপিএলে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত পাঁচজনের নাম এবং শাস্তি ঘোষণা করেছে বিসিবি। যেখানে একজন ক্রিকেটারও রয়েছেন।
শাস্তি পাওয়া পাঁচজন হলেন- চট্টগ্রাম রয়্যালসের লজিস্টিকস ম্যানেজার লাবলুর রহমান, লেট টাইটান্সের ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিক, নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলের সহ-সত্বাধিকারী তৌহিদুল হক তৌহিদ, সামিনুর রহমান ও ঘরোয়া ক্রিকেটের অমিত মজুমদার।
এই পাঁচজনকে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কার্যক্রম থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিসিবি। তবে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে শাস্তি পাওয়া ব্যক্তিরা আপিল করতে পারবেন।