নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে ধারাবাহিক নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একই সময়ে রাজধানীজুড়ে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৫৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এর মধ্যে রমনা বিভাগে ৩০ জন, লালবাগ বিভাগে ৪৬ জন, ওয়ারী বিভাগে ৬৬ জন, মতিঝিল বিভাগে ৫১ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৫ জন, মিরপুর বিভাগে ১৫২ জন, গুলশান বিভাগে ৬৯ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৬ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানকালে পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত ও অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে— ২৯ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ১২৮ পিস ইয়াবা ও ১৯ বোতল ফেনসিডিল। এছাড়া ২টি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ, ২ লিটার পেট্রোল, ৮টি মোবাইল ফোন, নগদ ৩৬ হাজার ৩৮০ টাকা এবং একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এর মধ্যে রমনা বিভাগে ৩০ জন, লালবাগ বিভাগে ৪৬ জন, ওয়ারী বিভাগে ৬৬ জন, মতিঝিল বিভাগে ৫১ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৫ জন, মিরপুর বিভাগে ১৫২ জন, গুলশান বিভাগে ৬৯ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৬ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানকালে পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত ও অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে— ২৯ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ১২৮ পিস ইয়াবা ও ১৯ বোতল ফেনসিডিল। এছাড়া ২টি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ, ২ লিটার পেট্রোল, ৮টি মোবাইল ফোন, নগদ ৩৬ হাজার ৩৮০ টাকা এবং একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।