আহমদ আনছারী, নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে চারজন মন্ত্রীসহ ৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে সোমবার রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় বক্তব্য দেবেন তিনি।
আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
একই অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এতে এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তার আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করবেন। ওই দিন সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য দেওয়া স্বাগত প্রাতঃরাশে অংশ নেবেন তিনি। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে যোগ দেবেন। সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন। পরে তিনি ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেন আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক সভায় বক্তব্য দেবেন। বিকেলে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, এ ছাড়া ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব অনুষ্ঠানে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী।
সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
আসাদ আলম সিয়াম আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আয়োজনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাইড ইভেন্টেও অংশ নেবেন। ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক সাইড ইভেন্টে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক আরেকটি সাইড ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধাত্রীসেবার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরবেন তিনি।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরকালে কয়েকটি দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক উল্লেখযোগ্য। এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার-বিষয়ক বিশেষ দূত, জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে ওয়াল স্ট্রিট, মেটাসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, উৎপাদন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
প্রধানমন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের নতুন যাত্রাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিশ্বকে একটি গণতান্ত্রিক, আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল, শান্তিপ্রিয় ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের বার্তা দিতে চায় সরকার।
আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
একই অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এতে এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তার আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করবেন। ওই দিন সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য দেওয়া স্বাগত প্রাতঃরাশে অংশ নেবেন তিনি। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে যোগ দেবেন। সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন। পরে তিনি ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেন আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক সভায় বক্তব্য দেবেন। বিকেলে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, এ ছাড়া ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব অনুষ্ঠানে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী।
সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
আসাদ আলম সিয়াম আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আয়োজনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাইড ইভেন্টেও অংশ নেবেন। ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক সাইড ইভেন্টে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক আরেকটি সাইড ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধাত্রীসেবার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরবেন তিনি।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরকালে কয়েকটি দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক উল্লেখযোগ্য। এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার-বিষয়ক বিশেষ দূত, জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে ওয়াল স্ট্রিট, মেটাসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, উৎপাদন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
প্রধানমন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের নতুন যাত্রাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিশ্বকে একটি গণতান্ত্রিক, আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল, শান্তিপ্রিয় ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের বার্তা দিতে চায় সরকার।