আহছান হাবিব, নিজস্ব প্রতিনিধি: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুই ভাগের অধ্যাদেশের বিরোধিতা করে শাস্তির মুখে পড়া আরও তিন কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ মওকুফ করেছে বিএনপি সরকার। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে চলমান সব ধরনের বিভাগীয় মামলার দায় থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপতির কাছে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এনবিআর চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর করা পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দণ্ড মওকুফ পাওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন- কর অঞ্চল-২ এর উপ কর-কমিশনার নুশরাত জাহান শমী, চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-৪ এর যুগ্ম কর-কমিশনার মেসবাহ উদ্দিন খান ও কর অঞ্চল-৭ এর অতিরিক্ত কর-কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা।
এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর একই ধরনের অভিযোগে শাস্তি পাওয়া আরও ২১ কর্মকর্তার দণ্ডও পৃথক পৃথক আদেশের মাধ্যমে সরকার মওকুফ করেছে।
ওই সময় দণ্ড মওকুফ হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- শাহাদাত জামিল, দ্বিতীয় সচিব (উপ-কমিশনার), এনবিআর, ঢাকা; শফিউল বশর, রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, নারায়ণগঞ্জ; সবুজ মিয়া, রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (উত্তর); সাইদুল ইসলাম, উপ-কমিশনার, কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেট, খুলনা; জাকির হোসেন, কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রাম; সানোয়ারুল কবির, যুগ্ম কমিশনার, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রাম; সাধন কুমার কুণ্ডু, অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, গাজীপুর; আ আ ম আমীমুল ইহসান খান, অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম; সিফাত-ই-মরিয়ম, অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশানরেট, ঢাকা (পশ্চিম); হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদান, অতিরিক্ত কমিশনার, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা; মো. শিহাবুল ইসলাম, উপকর কমিশনার, কর অঞ্চর-গাজীপুর; জিল্লুর রহমান, উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-খুলনা; ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল, উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-২১, ঢাকা; মির্জা আশিক রানা, অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-দিনাজপুর; মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ময়মনসিংহ; মামুন মিয়া, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর; চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-গাজীপুর; সুলতানা হাবীব, অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-২২, ঢাকা; মুরাদ আহমেদ, অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল যশোর; মাসুমা খাতুন, যুগ্ম কর কমিশনার, ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ঢাকা ও মোরশেদ উদ্দীন খান, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ফরিদপুর।
রাষ্ট্রপতির কাছে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এনবিআর চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর করা পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দণ্ড মওকুফ পাওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন- কর অঞ্চল-২ এর উপ কর-কমিশনার নুশরাত জাহান শমী, চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-৪ এর যুগ্ম কর-কমিশনার মেসবাহ উদ্দিন খান ও কর অঞ্চল-৭ এর অতিরিক্ত কর-কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা।
এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর একই ধরনের অভিযোগে শাস্তি পাওয়া আরও ২১ কর্মকর্তার দণ্ডও পৃথক পৃথক আদেশের মাধ্যমে সরকার মওকুফ করেছে।
ওই সময় দণ্ড মওকুফ হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- শাহাদাত জামিল, দ্বিতীয় সচিব (উপ-কমিশনার), এনবিআর, ঢাকা; শফিউল বশর, রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, নারায়ণগঞ্জ; সবুজ মিয়া, রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (উত্তর); সাইদুল ইসলাম, উপ-কমিশনার, কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেট, খুলনা; জাকির হোসেন, কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রাম; সানোয়ারুল কবির, যুগ্ম কমিশনার, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রাম; সাধন কুমার কুণ্ডু, অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, গাজীপুর; আ আ ম আমীমুল ইহসান খান, অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম; সিফাত-ই-মরিয়ম, অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশানরেট, ঢাকা (পশ্চিম); হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদান, অতিরিক্ত কমিশনার, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা; মো. শিহাবুল ইসলাম, উপকর কমিশনার, কর অঞ্চর-গাজীপুর; জিল্লুর রহমান, উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-খুলনা; ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল, উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-২১, ঢাকা; মির্জা আশিক রানা, অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-দিনাজপুর; মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ময়মনসিংহ; মামুন মিয়া, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর; চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-গাজীপুর; সুলতানা হাবীব, অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-২২, ঢাকা; মুরাদ আহমেদ, অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল যশোর; মাসুমা খাতুন, যুগ্ম কর কমিশনার, ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ঢাকা ও মোরশেদ উদ্দীন খান, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ফরিদপুর।