বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনের পাবলোহরাদে শপিং মলে রাশিয়ার ড্রোন হামলার পর আগুন নেভাতে কাজ করছেন জরুরি সেবা কর্মীরা।
ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের পাবলোহরাদ শহরের জনবহুল শপিং মলে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান ভিহিভস্কি জানান, দিনের আলোতে যখন রাস্তায় লোকজনের উপচেপড়া ভিড় ছিল, ঠিক তখনই এই হামলা চালানো হয়। হামলায় বেশ কয়েকটি দোকান ও যানবাহন পুরোপুরি পুড়ে যায়। আঞ্চলিক গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা জানিয়েছেন, আহত ৬৭ জনের মধ্যে আটজন শিশু রয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শপিং সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে রাশিয়া এই ড্রোন হামলা চালিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এ ঘটনাকে ‘ব্ল্যাকমেইল বা জোর জবরদস্তির কৌশল’ বলে অভিহিত করেছেন।
চলতি সপ্তাহে ইউক্রেনের আরও একাধিক শপিং মলে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। গত বুধবার সুমি শহরের একটি মলে ড্রোন হামলায় দুজন নিহত ও ২০ জন আহত হন। এর আগে গত সোমবার ঝাপোরিজিয়া শহরের একটি শপিং মল বিমান হামলায় প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া গত মাসে ক্রিভি রিহ শহরের এক শপিং মলে রুশ ড্রোনে ১৬ জন নিহত ও ১৩০ জন আহত হন।
অন্যদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনীয় হামলার কথা জানিয়েছে। দেশটির কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী রিসোর্ট শহর সোচিতে ইউক্রেনের সামুদ্রিক ড্রোন হামলায় দুটি শিশুসহ ২৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বেলগোরোদ অঞ্চলের নোভি ওস্কোল শহরে ইউক্রেনীয় ড্রোনে একজন নিহত ও ছয়জন আহত হন। পাশাপাশি রুশ-নিয়ন্ত্রিত ঝাপোরিজিয়ায় হামলায় এক ১৫ বছরের কিশোরী ও এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন।
সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ চলছে। গত সপ্তাহান্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূতরা মস্কোতে ভ্লাদিমির পুতিন এবং কিয়েভে ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে বৈঠক করলেও এই নতুন শান্তি প্রচেষ্টা এখন পর্যন্ত কোনো বাস্তব ফলাফল আনতে পারেনি।
ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের পাবলোহরাদ শহরের জনবহুল শপিং মলে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান ভিহিভস্কি জানান, দিনের আলোতে যখন রাস্তায় লোকজনের উপচেপড়া ভিড় ছিল, ঠিক তখনই এই হামলা চালানো হয়। হামলায় বেশ কয়েকটি দোকান ও যানবাহন পুরোপুরি পুড়ে যায়। আঞ্চলিক গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা জানিয়েছেন, আহত ৬৭ জনের মধ্যে আটজন শিশু রয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শপিং সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে রাশিয়া এই ড্রোন হামলা চালিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এ ঘটনাকে ‘ব্ল্যাকমেইল বা জোর জবরদস্তির কৌশল’ বলে অভিহিত করেছেন।
চলতি সপ্তাহে ইউক্রেনের আরও একাধিক শপিং মলে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। গত বুধবার সুমি শহরের একটি মলে ড্রোন হামলায় দুজন নিহত ও ২০ জন আহত হন। এর আগে গত সোমবার ঝাপোরিজিয়া শহরের একটি শপিং মল বিমান হামলায় প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া গত মাসে ক্রিভি রিহ শহরের এক শপিং মলে রুশ ড্রোনে ১৬ জন নিহত ও ১৩০ জন আহত হন।
অন্যদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনীয় হামলার কথা জানিয়েছে। দেশটির কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী রিসোর্ট শহর সোচিতে ইউক্রেনের সামুদ্রিক ড্রোন হামলায় দুটি শিশুসহ ২৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বেলগোরোদ অঞ্চলের নোভি ওস্কোল শহরে ইউক্রেনীয় ড্রোনে একজন নিহত ও ছয়জন আহত হন। পাশাপাশি রুশ-নিয়ন্ত্রিত ঝাপোরিজিয়ায় হামলায় এক ১৫ বছরের কিশোরী ও এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন।
সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ চলছে। গত সপ্তাহান্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূতরা মস্কোতে ভ্লাদিমির পুতিন এবং কিয়েভে ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে বৈঠক করলেও এই নতুন শান্তি প্রচেষ্টা এখন পর্যন্ত কোনো বাস্তব ফলাফল আনতে পারেনি।