নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের বাবনাতলা ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- পটুয়াখালী জেলার সুমখালী এলাকার আব্দুর রবের ছেলে আনিসুর রহমান (২৮) ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দিয়াশুর গ্রামের ফরিদ হাওলাদারের ছেলে সালাউদ্দিন (৩০)। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে সালাউদ্দিন একটি মসজিদের ইমাম এবং আনিসুর রহমান একটি মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনিসুর ও সালাউদ্দিন মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বাবনাতলা ব্রিজের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ‘দশমিনা পরিবহণ’র একটি বাসের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তারা দুজনই গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী ওবায়দুল কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং বাসটি থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
নিহতরা হলেন- পটুয়াখালী জেলার সুমখালী এলাকার আব্দুর রবের ছেলে আনিসুর রহমান (২৮) ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দিয়াশুর গ্রামের ফরিদ হাওলাদারের ছেলে সালাউদ্দিন (৩০)। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে সালাউদ্দিন একটি মসজিদের ইমাম এবং আনিসুর রহমান একটি মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনিসুর ও সালাউদ্দিন মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বাবনাতলা ব্রিজের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ‘দশমিনা পরিবহণ’র একটি বাসের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তারা দুজনই গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী ওবায়দুল কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং বাসটি থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।