সাভারে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা: গ্রেফতার প্রধান আসামি রিমান্ডে

আপলোড সময় : ০৭-০৯-২০২৬ ০৫:০৭:৪১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৭-০৯-২০২৬ ০৫:০৭:৪১ অপরাহ্ন
মাহবুবুল আলম,  কোর্ট  প্রতিনিধি:  সাভারের আমিন বাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে (৫৮) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি জহুরুলকে (৩২) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। 
আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকার আদালত এই আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আরিফ হোসেন এতথ্য নিশ্চিত।
এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্প সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. জাকির আল আহসান।
ওই আবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাতনামা আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদীর স্বামীকে হত্যা করে লাশ গুম বা ফেলে রেখে চলে যায়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তকরণের লক্ষ্যে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন। 
এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিউজ্জামান স্বপন রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা দিকে সাভারের বরদেবী পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের আটোগ্যারেজের সামনে এক ব্যক্তির অটো রাখাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কি হয়। সেই তর্কা-তর্কি থামাতে গিয়ে আসামিদের তোপের মুখে পড়েন পুলিশ সদস্য মো. আলতাব হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হামলা চালায়।
আরও বলা হয়, আসামিরা আলতাব হোসেনকে রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। এছাড়া তারা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং ক্যাশ বাক্স থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার ছেলেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১৫ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।  
 

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক ও প্রকাশক : 

নির্বাহী সম্পাদক : 

বার্তা সম্পাদক : 


অফিস :

অফিস : 

ইমেইল : 

মোবাইল :