নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ : হামের ক্রমবর্ধমান প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশব্যাপী বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে দেশে অবৈধ ক্লিনিক-হাসপাতাল বন্ধ, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি এবং চিকিৎসার সার্বিক মান বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক খোঁজখবর নেন। সকালে হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় করেন তিনি। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী এবং ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রতিষেধক আনার পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে চলতি মাসের শেষেই আবার হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। গত ১৭ বছরের মধ্যে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর আর কোনো বড় পরিসরের টিকাদান কর্মসূচি না হওয়ায় দেশে সম্প্রতি হামের প্রকোপ কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে গত ২০ এপ্রিলের পর যে শিশুরা ৬ মাস বয়স পার করেছে কিন্তু নিয়মিত সূচিতে টিকা পায়নি, তাদের সুরক্ষায় এত দ্রুততম সময়ে ক্যাম্পেইন পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে।
হাসপাতালের প্রশাসনিক ও সেবার পরিবেশ উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেন, সরকারি হাসপাতালকে পুরোপুরি দালালমুক্ত করতে র্যাব ও ডিজিএফআই যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় ডিসি ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ইতোমধ্যে অনেকগুলো ভুয়া ক্লিনিক ও প্যাথলজি সিলগালা করেছে। ৬ মাসের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন এসেছে দাবি করে তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ২৫টিরও বেশি সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি খাবারের মানও আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। ওসমানী হাসপাতালে সময়মতো চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতে আগামী ৭ কার্যদিবসের সময় বেঁধে দিয়ে সিলেটের নির্মাণাধীন ও অনুমোদিত সরকারি হাসপাতালগুলো শিগগিরই চালুর আশ্বাস দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক খোঁজখবর নেন। সকালে হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় করেন তিনি। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী এবং ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রতিষেধক আনার পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে চলতি মাসের শেষেই আবার হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। গত ১৭ বছরের মধ্যে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর আর কোনো বড় পরিসরের টিকাদান কর্মসূচি না হওয়ায় দেশে সম্প্রতি হামের প্রকোপ কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে গত ২০ এপ্রিলের পর যে শিশুরা ৬ মাস বয়স পার করেছে কিন্তু নিয়মিত সূচিতে টিকা পায়নি, তাদের সুরক্ষায় এত দ্রুততম সময়ে ক্যাম্পেইন পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে।
হাসপাতালের প্রশাসনিক ও সেবার পরিবেশ উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেন, সরকারি হাসপাতালকে পুরোপুরি দালালমুক্ত করতে র্যাব ও ডিজিএফআই যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় ডিসি ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ইতোমধ্যে অনেকগুলো ভুয়া ক্লিনিক ও প্যাথলজি সিলগালা করেছে। ৬ মাসের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন এসেছে দাবি করে তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ২৫টিরও বেশি সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি খাবারের মানও আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। ওসমানী হাসপাতালে সময়মতো চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতে আগামী ৭ কার্যদিবসের সময় বেঁধে দিয়ে সিলেটের নির্মাণাধীন ও অনুমোদিত সরকারি হাসপাতালগুলো শিগগিরই চালুর আশ্বাস দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।