দক্ষিণ আফ্রিকায় ট্রিপল সেঞ্চুরি, হৃদয়ের ইতিহাস

আপলোড সময় : ০২-০৯-২০২৬ ০৮:০৯:৩৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-০৯-২০২৬ ০৮:০৯:৩৪ অপরাহ্ন
বাংলা রিলিজ, স্পোর্টস ডেস্ক:  বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতিতে জাতীয় দলে কিছুটা তারকা খ্যাতি মিললেই আর ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা ‘এ’ দলে দেখা যায় না তাদের। সেখানে ভিন্ন নজির দেখালেন তাওহিদ হৃদয়। নিজ ইচ্ছেতেই দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘এ’ দলের চারদিনের ম্যাচ খেলতে গিয়েছেন তিনি। আর সেই সিরিজেই একের পর এক গড়ছেন ইতিহাস। ছাড়িয়ে যাচ্ছেন নিজেকেই।
গতকাল তৃতীয় দিনেই গড়েছিলেন নতুন ইতিহাস। প্রথম কোনো ব্যাটার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন হৃদয়। এটি ছিল প্রোটিয়াদের মাটিতে বাংলাদেশি কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসও।
আজ চতুর্থ দিনে যেনো নতুন লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন হৃদয়। পূরণ করলেন সেও লক্ষ্যও ছাড়িয়ে গেলেন নিজেকেই। ক্যারিয়ারের প্রথমবার দেখা পেলেন ট্রিপল সেঞ্চুরির। প্রোটিয়াদের বোলারদের শাসন করে ট্রিপল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এই টাইগার ক্রিকেটার।
৩৩৯ বলে ২০৪ রানে অপরাজিত থেকে চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন হৃদয়। ট্রিপল সেঞ্চুরি করতে খুব বেশি সময় লাগেনি তার। দিনের দ্বিতীয় সেশনেই ঐতিহাসিক এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
এই ইনিংসে হৃদয় গড়েছেন আরও একটি রেকর্ড। মাত্র তৃতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়লেন তিনি। এর আগে ২০০৭ সালে সিলেট বিভাগের বিপক্ষে বরিশাল বিভাগের হয়ে ৩১৩ রান করেছিলেন রকিবুল হাসান আর ২০২০ সালে ইস্ট জোনের হয়ে সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে ৩৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তামিম ইকবাল।
আগের দুজনই অবশ্য ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন দেশের মাটিতে। আর হৃদয় ট্রিপল সেঞ্চুরি করলেন বিদেশের মাটিতে। ফলে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে বিদেশের মাটিতে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার কীর্তি এখন হৃদয়ের দখলে।
শুধু নিজের ক্যারিয়ারের মাইলফলকই নয়, অধিনায়ক হিসেবে দলকেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন সামনে থেকে। হাল ধরেছিলেন দলের বিপদের সময়ে। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৫১২ রান করে বাংলাদেশের উপর চাপ তৈরি করেছিল প্রোটিয়ারা। দারুণ ব্যাটিংয়ে সেই চাপে দূর করলেন হৃদয়।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৮৪ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ৬২৮ রান। দক্ষিণ আফ্রিকাকে লিড নিয়েছে ১১৬ রানের। হৃদয় অপরাজিত ৪৫৬ বলে ৩০৪ রান করে। তার সঙ্গী রেজাউর রহমান রাজা (৯১ বলে ৩০)।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক ও প্রকাশক : 

নির্বাহী সম্পাদক : 

বার্তা সম্পাদক : 


অফিস :

অফিস : 

ইমেইল : 

মোবাইল :