তোফােয়েল আহমেদ, নিজস্ব প্রতিনিধি: সপ্তাহখানেকের মধ্যেই দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশে চলমান বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই।
গ্যাসের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে নির্ধারিত বাজেটের পাশাপাশি বিপুল অর্থ ব্যয় করে গ্যাস সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। আন্দোলন ও সংগ্রামে খালেদা জিয়া বহু নির্যাতন সহ্য করেছেন। তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তিনি গণতন্ত্রের মা, গণতন্ত্রের প্রতীক।
রিজভী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাই আজ সুসংগঠিত। তিনি তার অঙ্গীকার রক্ষা করেছেন। সংকট আসবেই, তবে তা মোকাবিলা করতে হবে।
রিজভী আরও বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই অঙ্গীকারকে সামনে রেখে খালেদা জিয়া তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করেছেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম একপর্যায়ে প্রবল গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান জনগণের কাছে যে অঙ্গীকারগুলো করেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করছেন। ফ্যামিলি কার্ড কিংবা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মহেশখালীতে থাকা টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়েছে। সেই ত্রুটি সমাধানের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এসব সংকট মোকাবিলা করেই দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত থাকবে।
রিজভী বলেন, গণতান্ত্রিক চেতনা, জনগণের সামাজিক সুরক্ষা এবং দেশের উন্নয়ন ও উৎপাদনের যে অঙ্গীকার ৩১ দফায় দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং খালেদা জিয়া যে কর্মসূচি দিয়ে গেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ভবিষ্যতে এসব কর্মসূচি আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
দল ও সরকারের সম্পর্কের বিষয়ে রিজভী বলেন, দল ও সরকার দুটি আলাদা সত্তা হলেও তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে। তাই সরকারের দায়িত্বে থাকা অধিকাংশ ব্যক্তি বিএনপির নেতা হওয়াটাই স্বাভাবিক। জনগণ যখন একটি দলকে ভোট দিয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তখন সেই দলের যোগ্য নেতা-কর্মীরাই রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন।
রিজভী বলেন, তৃণমূলের সদস্য থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারের জনকল্যাণমূলক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবেন। এতে দল ও সরকারের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি বা বৈসাদৃশ্য নেই।
বিএনপির সামনে এখন প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা দলে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন, তারা দলের দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে সরকারের যেসব মন্ত্রী বিএনপির নেতা, তারাও মন্ত্রিত্বের পাশাপাশি দলের ওপর অর্পিত দায়িত্ব তাদের পদ ও সাংগঠনিক অবস্থান অনুযায়ী পালন করবেন। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশে চলমান বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই।
গ্যাসের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে নির্ধারিত বাজেটের পাশাপাশি বিপুল অর্থ ব্যয় করে গ্যাস সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। আন্দোলন ও সংগ্রামে খালেদা জিয়া বহু নির্যাতন সহ্য করেছেন। তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তিনি গণতন্ত্রের মা, গণতন্ত্রের প্রতীক।
রিজভী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাই আজ সুসংগঠিত। তিনি তার অঙ্গীকার রক্ষা করেছেন। সংকট আসবেই, তবে তা মোকাবিলা করতে হবে।
রিজভী আরও বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই অঙ্গীকারকে সামনে রেখে খালেদা জিয়া তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করেছেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম একপর্যায়ে প্রবল গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান জনগণের কাছে যে অঙ্গীকারগুলো করেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করছেন। ফ্যামিলি কার্ড কিংবা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মহেশখালীতে থাকা টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়েছে। সেই ত্রুটি সমাধানের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এসব সংকট মোকাবিলা করেই দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত থাকবে।
রিজভী বলেন, গণতান্ত্রিক চেতনা, জনগণের সামাজিক সুরক্ষা এবং দেশের উন্নয়ন ও উৎপাদনের যে অঙ্গীকার ৩১ দফায় দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং খালেদা জিয়া যে কর্মসূচি দিয়ে গেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ভবিষ্যতে এসব কর্মসূচি আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
দল ও সরকারের সম্পর্কের বিষয়ে রিজভী বলেন, দল ও সরকার দুটি আলাদা সত্তা হলেও তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে। তাই সরকারের দায়িত্বে থাকা অধিকাংশ ব্যক্তি বিএনপির নেতা হওয়াটাই স্বাভাবিক। জনগণ যখন একটি দলকে ভোট দিয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তখন সেই দলের যোগ্য নেতা-কর্মীরাই রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন।
রিজভী বলেন, তৃণমূলের সদস্য থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারের জনকল্যাণমূলক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবেন। এতে দল ও সরকারের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি বা বৈসাদৃশ্য নেই।
বিএনপির সামনে এখন প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা দলে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন, তারা দলের দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে সরকারের যেসব মন্ত্রী বিএনপির নেতা, তারাও মন্ত্রিত্বের পাশাপাশি দলের ওপর অর্পিত দায়িত্ব তাদের পদ ও সাংগঠনিক অবস্থান অনুযায়ী পালন করবেন। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।