প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য করে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে: নুরুল হক

আপলোড সময় : ২০-০৮-২০২৬ ০৮:৩৯:১৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-০৮-২০২৬ ০৮:৩৯:১৩ অপরাহ্ন
তোফােয়েল আহমেদ,  নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরের মতো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান নুরুল হক। পরে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। বিষয়টি নিয়ে এখন নির্বাচিত সরকারকে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই উগ্রবাদী সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও গণধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল। ওই ইতিহাস ও কর্মকাণ্ডের বিচারে জামায়াত-শিবিরকেও নিষিদ্ধ করা দরকার। তা না হলে দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে এবং বৈশ্বিকভাবে দেশের ভাবমূর্তি বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে।
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি অভিযোগ করেন, অতীতে মজলুমের ভূমিকায় থাকলেও বিগত কয়েক মাসে জামায়াত-শিবির জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা দেশে ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে রগকাটা, দখলদারত্ব ও তাণ্ডবের পুরোনো ইতিহাস ফিরিয়ে আনছে। এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ারা দখলের চেষ্টায় দলটি বর্তমান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ওয়াজ ও জুমার খুতবায় বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য মাওলানা আমির হামজার সমালোচনা করে নুরুল হক বলেন, এই ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমর্থনে জামায়াতের বিবৃতি তাদের নৈতিক অধঃপতনকে স্পষ্ট করে। রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহারের সমালোচনা করে তিনি দলটির নাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দেওয়ারও আহ্বান জানান।

 

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক ও প্রকাশক : 

নির্বাহী সম্পাদক : 

বার্তা সম্পাদক : 


অফিস :

অফিস : 

ইমেইল : 

মোবাইল :