নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিবসটিকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবেলায় নিম্নলিখিত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে। পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসি সাদা পোশাকে সব গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে অপারেশনাল কাজে মোতায়েন থাকবে। যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হবে, সেখানে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ-স্কোয়াড ইউনিটের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এছাড়া, সব অনুষ্ঠানস্থল এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের নজরদারিতে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে সিটিএসবি ও আইএডির গোয়েন্দা কার্যক্রম পুরোদমে অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)।
নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্সসহ র্যাব ও সিআইডি যৌথভাবে মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সক্রিয় থাকবে। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য সব ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে ডিউটি তদারকি করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিবসটিকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবেলায় নিম্নলিখিত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে। পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসি সাদা পোশাকে সব গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে অপারেশনাল কাজে মোতায়েন থাকবে। যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হবে, সেখানে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ-স্কোয়াড ইউনিটের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এছাড়া, সব অনুষ্ঠানস্থল এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের নজরদারিতে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে সিটিএসবি ও আইএডির গোয়েন্দা কার্যক্রম পুরোদমে অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)।
নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্সসহ র্যাব ও সিআইডি যৌথভাবে মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সক্রিয় থাকবে। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য সব ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে ডিউটি তদারকি করবেন।