ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধের বিরোধিতা করে ওয়াশিংটনকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান। এই অবরোধ অব্যাহত থাকলে মার্কিন জাহাজ ও সামরিক বাহিনীকে মারাত্মক ঝুঁকি ও প্রাণহানির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
উপদেইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামরিকষ্টা মহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই হুঁশিয়ারি দেন।
রেজাই তার পোস্টে লেখেন, যদি এই অবরোধ অব্যাহত থাকে, তবে আমেরিকান জাহাজ ও সামরিক বাহিনী গুরুতর ঝুঁকি ও প্রাণহানির সম্মুখীন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের অবস্থান ও নীতি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে এই সামরিক উপদেষ্টা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের আচরণ পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় আমরা এটি সহ্য করব না। হরমুজ প্রণালিতে দ্বিতীয় কোনো করিডোর খোলার অনুমতি আমরা কখনোই দেব না।
উল্লেখ্য, গত জুন মাসে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রিক জটিলতায় ভেঙে পড়ে। এর জেরে গত জুলাইয়ে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় নৌ-অবরোধ আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এই অবরোধ চালুর পর থেকে তারা এ পর্যন্ত অন্তত ৪৪টি জাহাজ ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে দিয়েছে, দুটি জাহাজ অকার্যকর করেছে। আরও দুটি জাহাজে সরাসরি তল্লাশি চালিয়েছে।
উপদেইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামরিকষ্টা মহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই হুঁশিয়ারি দেন।
রেজাই তার পোস্টে লেখেন, যদি এই অবরোধ অব্যাহত থাকে, তবে আমেরিকান জাহাজ ও সামরিক বাহিনী গুরুতর ঝুঁকি ও প্রাণহানির সম্মুখীন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের অবস্থান ও নীতি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে এই সামরিক উপদেষ্টা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের আচরণ পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় আমরা এটি সহ্য করব না। হরমুজ প্রণালিতে দ্বিতীয় কোনো করিডোর খোলার অনুমতি আমরা কখনোই দেব না।
উল্লেখ্য, গত জুন মাসে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রিক জটিলতায় ভেঙে পড়ে। এর জেরে গত জুলাইয়ে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় নৌ-অবরোধ আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এই অবরোধ চালুর পর থেকে তারা এ পর্যন্ত অন্তত ৪৪টি জাহাজ ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে দিয়েছে, দুটি জাহাজ অকার্যকর করেছে। আরও দুটি জাহাজে সরাসরি তল্লাশি চালিয়েছে।