তোফােয়েল আহমেদ, নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, পুলিশ কোনো বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়। বরং পুলিশ হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশ বাহিনীকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে একটি আধুনিক, সেবামুখী ও মানবিক সংস্থায় রূপান্তর করাই মূল লক্ষ্য।
আজ রোববার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেজন্য পুলিশ বাহিনীর মনোবল পুনঃপ্রতিষ্ঠাসহ একটি দক্ষ ও আধুনিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ইতোমধ্যে জনবল বৃদ্ধিসহ নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি চালু করা। এরই অংশ হিসেবে সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশের সদস্যদের যেমন পুরস্কৃত করা হচ্ছে, একইভাবে শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি প্রদান ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অগ্রগণ্য। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের ন্যায় পুলিশ বাহিনীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাজশাহীর সারদায় এই ব্যাচের এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সংক্ষিপ্ত করে ছয় মাসে সম্পন্ন করা হয়েছে। ৫৬ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে এরই মধ্যে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। আগামী দুই বছরে দুই ধাপে প্রশিক্ষণের অবশিষ্ট ছয় মাস সম্পন্ন করা হবে। এসব কর্মকর্তারা জেলাগুলোতে মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণ নিলেও তাদের মূল পদায়ন ঢাকা পুলিশ সদরদফরে বহাল থাকবে।
আজ রোববার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেজন্য পুলিশ বাহিনীর মনোবল পুনঃপ্রতিষ্ঠাসহ একটি দক্ষ ও আধুনিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ইতোমধ্যে জনবল বৃদ্ধিসহ নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি চালু করা। এরই অংশ হিসেবে সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশের সদস্যদের যেমন পুরস্কৃত করা হচ্ছে, একইভাবে শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি প্রদান ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অগ্রগণ্য। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের ন্যায় পুলিশ বাহিনীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাজশাহীর সারদায় এই ব্যাচের এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সংক্ষিপ্ত করে ছয় মাসে সম্পন্ন করা হয়েছে। ৫৬ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে এরই মধ্যে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। আগামী দুই বছরে দুই ধাপে প্রশিক্ষণের অবশিষ্ট ছয় মাস সম্পন্ন করা হবে। এসব কর্মকর্তারা জেলাগুলোতে মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণ নিলেও তাদের মূল পদায়ন ঢাকা পুলিশ সদরদফরে বহাল থাকবে।