নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় আশিক আকন (২০) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় রমজান ব্যাপারী (২০) নামের অপর এক আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডাসার থানার ধুলগ্রাম বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আশিক আকন ডাসারের ধুলগ্রাম এলাকার জালাল আকনের ছেলে এবং আহত রমজান ব্যাপারী ধুয়াশার বালিগ্রাম এলাকার সোহেল ব্যাপারীর ছেলে।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশিক ও রমজান মোটরসাইকেলে করে মাদারীপুর শহর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ধুলগ্রাম বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস তাদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে দুজনই গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই বাসটি নিয়ে চালক দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা দুজনকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে চালক আশিক আকনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে গুরুতর আহত রমজান ব্যাপারীকে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান মাহমুদ বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে গেছে। বাসটি শনাক্তসহ জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশিক ও রমজান মোটরসাইকেলে করে মাদারীপুর শহর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ধুলগ্রাম বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস তাদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে দুজনই গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই বাসটি নিয়ে চালক দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা দুজনকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে চালক আশিক আকনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে গুরুতর আহত রমজান ব্যাপারীকে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান মাহমুদ বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে গেছে। বাসটি শনাক্তসহ জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।