নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে আনা প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক থামিম আনসারিকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
সিআইআইডি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ শনিবার সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে এয়ার অ্যারাবিয়ার জি-৯-৫২৬ নম্বর ফ্লাইটে আসা ভারতীয় নাগরিক থামিম আনসারিকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার পর শনাক্ত করেন সিআইআইডির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। News
পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আন্ডারওয়্যারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো ক্যাপসুলসদৃশ স্বর্ণজাত পদার্থ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে প্যাকিং সামগ্রীসহ উদ্ধারকৃত বস্তুর ওজন ৪৫৫ গ্রাম পাওয়া গেছে। স্বর্ণকারের সহায়তায় প্যাকিং সামগ্রী অপসারণ করে প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণের কার্যক্রম চলছে।
সিআইআইডির প্রাথমিক হিসাবে উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা।
এ ঘটনায় কাস্টমস আইনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণ ও অন্যান্য পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সিআইআইডি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ শনিবার সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে এয়ার অ্যারাবিয়ার জি-৯-৫২৬ নম্বর ফ্লাইটে আসা ভারতীয় নাগরিক থামিম আনসারিকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার পর শনাক্ত করেন সিআইআইডির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। News
পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আন্ডারওয়্যারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো ক্যাপসুলসদৃশ স্বর্ণজাত পদার্থ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে প্যাকিং সামগ্রীসহ উদ্ধারকৃত বস্তুর ওজন ৪৫৫ গ্রাম পাওয়া গেছে। স্বর্ণকারের সহায়তায় প্যাকিং সামগ্রী অপসারণ করে প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণের কার্যক্রম চলছে।
সিআইআইডির প্রাথমিক হিসাবে উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা।
এ ঘটনায় কাস্টমস আইনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণ ও অন্যান্য পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।