নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ : দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩৭ শিশু। এ ছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৮১০ শিশু মারা গেছে।
আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭১৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮১০ শিশু মারা গেছে।
এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১৮৭ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৫০। এই সময়ে ৮৫৪ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৮ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ১৫০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ১৯৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৭১৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১ হাজার ৫৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭১৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮১০ শিশু মারা গেছে।
এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১৮৭ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৫০। এই সময়ে ৮৫৪ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৮ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ১৫০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ১৯৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৭১৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১ হাজার ৫৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।