মাহবুবুল আলম, কোর্ট প্রতিনিধি: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বনানী থেকে গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে তাকে আটক করা হয়। তিনি গত ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান ও একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন। তিনি ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত দল একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়।
১৯৮১ সালের ২৯ মে জিয়াউর রহমান এক সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গভীর রাতে একদল সেনাসদস্য তাকে হত্যা করে। বিপথগামী সেনাসদস্যরা তার মরদেহ চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর জঙ্গলে কবর দেয়।
তিনদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়, লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ শেরেবাংলা নগরে তার জানাজায় শরিক হন। পরে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে তাকে সমাহিত করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বনানী থেকে গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে তাকে আটক করা হয়। তিনি গত ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান ও একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন। তিনি ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত দল একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়।
১৯৮১ সালের ২৯ মে জিয়াউর রহমান এক সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গভীর রাতে একদল সেনাসদস্য তাকে হত্যা করে। বিপথগামী সেনাসদস্যরা তার মরদেহ চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর জঙ্গলে কবর দেয়।
তিনদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়, লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ শেরেবাংলা নগরে তার জানাজায় শরিক হন। পরে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে তাকে সমাহিত করা হয়।