তোফােয়েল আহমেদ, নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিরোধী দলীয় নেতার বাসভবনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং ও পলিটিক্যাল অ্যাটাচে রু কি উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়ে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে মর্মে তারা আশা প্রকাশ করেন। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ ছাড়া তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এই বন্ধুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিরোধী দলীয় নেতার বাসভবনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং ও পলিটিক্যাল অ্যাটাচে রু কি উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়ে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে মর্মে তারা আশা প্রকাশ করেন। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ ছাড়া তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এই বন্ধুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।