ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান এখনও উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে : মার্কিন গোয়েন্দারা

আপলোড সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ০৭:৫০:০২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ০৭:৫০:০২ অপরাহ্ন
ইরান এখনও উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে : মার্কিন গোয়েন্দারা ফাইল ছবি
বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক :   ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে বলে বারবার এই দাবি তুলে আসছে মার্কিন প্রশাসন। তবে এবার ভিন্ন তথ্য দিয়েছে মার্কিন গোপন গোয়েন্দারা। তারা বলছে, ইরান এখনও উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে।
সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মে মাসের শুরুর দিকে প্রস্তুত করা মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইরান তার অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে আবারও কার্যকরভাবে প্রবেশাধিকার ফিরে পেয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির তীরবর্তী ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার মধ্যে ৩০টিই পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।
গোয়েন্দা মূল্যায়নের সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ছিল, তার প্রায় ৭০ শতাংশ এখনও দেশটির হাতে রয়েছে। একই সঙ্গে অক্ষত আছে মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার বড় অংশও।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানজুড়ে থাকা ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশই বর্তমানে আংশিক অথবা পুরোপুরি কার্যকর অবস্থায় রয়েছে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, ইরান সরকার জানে যে তাদের বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। যারা মনে করেন ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করেছে, তারা হয় বিভ্রান্ত, নয়তো ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। 
পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিও বন্ধ করে দেয় তেহরান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ইসলামাবাদে পরবর্তী আলোচনায় স্থায়ী কোনো সমঝোতা হয়নি। 
পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন। এরপর থেকে পাকিস্তান স্থবির হয়ে পড়া কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ