সুন্দরগঞ্জে সম্ভাবনাময়ী ফলন হলেও বোরোধান কাটা-মাড়াইয়ে লোকসানে কৃষকরা
আপলোড সময় :
১০-০৫-২০২৬ ০৮:২০:৩৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১০-০৫-২০২৬ ০৮:২০:৩৪ অপরাহ্ন
বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া ধান কাটছেন কৃষকরা
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার ফলে চলতি বোরো মৌসূমে পানির নিচে ডুবে যাওয়ায় অতিরিক্ত খরচের বিনিময়ে ধান কাটা-মাড়াই করছেন কৃষকরা। এতে ব্যাপক লোকসানের কবলে পড়েছেন বলে কৃষক-কৃষাণীরা জানান।
জানা যায়, এবারে গ্রীষ্মকালর শুরু থেকেই বর্ঘাকালের ন্যায় ঘন ঘন বৃষ্টিতে বিভিন্ন বিলে বা নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোনা কোন বিলে বোরো মৌসূমের ধান পনির নিচে ডুবে গেছে। এসব জমির উৎপাদিত ধান প্রয়োজনের চেয়ে অধিক পরিমাণ দিনমজুর ও মজুরীর বিনিময়ে কাটতে হচ্ছে কৃষকদেরকে। কৃষক-কৃষাণীরা বলছেন, এবারে বোরো ধান কাটা-মাড়াইয়ে তেমন একটা সুবিধা হচ্ছেনা। প্রতিনিয়তই বৃষ্টি হয়। ফলন যা হয়েছে, তাতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও ধানের স্থানীয় বাজারমূল্য কম, অপরদিকে মজুরী অনেকাংশে বেশি হওয়ায় প্রতি বিঘা জমিতেই লোকসান গুনতে হবে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, এবারে (চলতি মৌসূমে) বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়- ২৬ হাজার ৭৯২ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে হাইব্রিড ১০ হাজার ১০ হেক্টর, উফশী- ১৬ হাজার ৬৬৬ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের- ১১৬ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা, কৃষকদের অক্লান্ত শ্রম ও কৃষি বিভাগের উদ্বুদ্ধ করণের ফলে বোরো ধান চাষে অর্জিত হয়েছে মোট- ২৬ হাজার ৭৪৩ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে- হাইব্রিড ৯ হাজার ৭৫৬ হেক্টর, উফশী- ১৬ হাজার ৮৬৯ হেক্টর ও স্থানীয়- ১১৮ হেক্টর।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম চৌধূরী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বোরো মৌসূমে সম্ভাবনাময়ী বাম্পার ফলন হয়েছে। কেবলমাত্র কাটা-মাড়াই চলছে। এ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ জমির ধান কাটা-মাড়াই চলছে। ফলন সন্তোষজনক হওয়ায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবার সম্ভানা লক্ষ্যনীয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24
কমেন্ট বক্স