বিলুপ্ত হলো র্যাব, সংসদে এসআরবি বিল পাশ
আপলোড সময় :
১০-০৯-২০২৬ ০৭:৩৬:২০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১০-০৯-২০২৬ ০৭:৩৬:২০ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
আহমদ আনছারী, নিজস্ব প্রতিনিধি: র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল পাশ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ বিল পাশ করা হয়েছে।
র্যাবের জায়গায় এসআরবি করা সংক্রান্ত বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীর অধীন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট থাকবে। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ও শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে নির্ধারিত সংখ্যক কর্মকর্তা, সশস্ত্র সদস্য বা কর্মচারীকে পদায়ন কিংবা প্রেষণে নিয়োগ দিয়ে এ ইউনিট গঠন করবে।
ইউনিটটির কর্মকর্তা, সশস্ত্র সদস্য ও কর্মচারীদের পদবিন্যাস, নিয়োগপদ্ধতি ও চাকরির শর্তাবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে। এসআরবির জন্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত পতাকা, প্রতীক ও স্বতন্ত্র পোশাক থাকবে। পুলিশে কর্মরত অন্তত অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এসআরবির মহাপরিচালক হবেন।
বিলে বলা হয়েছে, র্যাবের জনবল, আদেশ, ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব, বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা, তহবিল, নগদ ও ব্যাংকে জমা অর্থ, দায়, চুক্তি, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্রসহ সব দলিল এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে।
নতুন আইনের বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত ২০০৫ সালের বিদ্যমান বিধিমালার অধীনে র্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা ও আদালতের কার্যধারা বহাল থাকবে।
এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও রাখা হয়েছে।
আইনের খসড়ায় নাগরিকদের অভিযোগ ও ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
এপিবিএন পাবে তদন্তের ক্ষমতা
এর আগে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিলটিও পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীর অধীন এপিবিএন গঠিত ও পরিচালিত হবে। এ ইউনিটে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন ও অন্য কোনো ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
প্রস্তাবিত আইনে এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন মেনে কোনো স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তার করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, এ ইউনিটের কোনো সদস্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে কোনো তথ্য কিংবা দলিল প্রকাশ করতে পারবেন না। তথ্য বা দলিল প্রকাশে সহযোগিতা করতে কিংবা প্রকাশের কারণও হতে পারবেন না।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24
কমেন্ট বক্স