বিপিএলে ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত ৩ জনকে বহিষ্কার করলো বিসিবি
আপলোড সময় :
০১-০৯-২০২৬ ০৮:১৫:৩৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০১-০৯-২০২৬ ০৮:১৫:৩৫ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
বাংলা রিলিজ, স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর ঘিরে দুর্নীতিবিরোধী কোডের বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অভিযোগে তিনজনকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি।
অভিযুক্ত তিনজন হলেন— বিসিবির সাবেক পরিচালক ও সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম), বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও) জাকির হোসাইন এবং বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও সাবেক অডিট কমিটির সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।
বিসিবি জানিয়েছে, বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির ২০২৪ সালের অংশগ্রহণকারীদের জন্য অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার চেষ্টা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য গোপন করা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানো।
শামীমের বিরুদ্ধে কোডের ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৪ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিপিএলের ম্যাচের ফল, অগ্রগতি বা ম্যাচের অন্য কোনো বিষয় প্রভাবিত করার চেষ্টা, কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে উৎসাহ বা সহায়তা করা, দুর্নীতির প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো এবং তদন্ত-সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ বা তথ্য গোপন, মুছে ফেলা বা নষ্ট করার মাধ্যমে তদন্তে বাধা দেওয়া।
জাকিরের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা অন্য কোনো বিষয় অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিতে যুক্ত হতে উৎসাহ বা সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তার পরিচালিত তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও রয়েছে।
অন্যদিকে রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে ২.৪.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্ত তিনজনকেই সাময়িকভাবে (প্রভিশনালি) বরখাস্ত করা হয়েছে। নোটিশ অব চার্জ পাওয়ার পর নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তারা ১৪ দিন সময় পাবেন। এরপর কোড অনুযায়ী শৃঙ্খলাজনিত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24
কমেন্ট বক্স