ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ , ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতারণার মামলায় বিদিশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

আপলোড সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ০৫:০৩:১৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ০৫:০৩:১৭ অপরাহ্ন
প্রতারণার মামলায় বিদিশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ফাইল ছবি
মাহবুবুল আলম,  কোর্ট  প্রতিনিধি:  প্রতারণার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
ঢাকার অপরাধ-তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন আজ বুধবার (২৬ আগস্ট)  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বিদিশা সিদ্দিকের আইনজীবী আতিকুর রহমান জানান, গত ২০ মে এ মামলায় তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম। সাজার পাশাপাশি তাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে গুলশান-২ নম্বরের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী মোশাররফ হোসেন মিরপুর-১০ এলাকায় স্যানিটারি পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী। ২০০১ সালে বারিধারার একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে তিনি বিদিশার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদীকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন এবং তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এছাড়া, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। মামলায় দাবি করা হয়, বিদিশা বাদীকে জানিয়েছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের কাছ থেকে টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ