জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে বাংলাদেশ
আপলোড সময় :
১১-০৭-২০২৬ ০৯:১৪:২১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১১-০৭-২০২৬ ০৯:১৪:২১ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
বাংলা রিলিজ, স্পোর্টস ডেস্ক: প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। বাকি ছিল হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।শেষ ম্যাচে সেই স্বস্তির জয়টাই এলো।
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষটিতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে সিরিজ জিতেছে ২-১ ব্যবধানে।
হারারে স্পোর্টস গ্রাউন্ডে আজ শনিবার (১১ জুলাই) টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে জিম্বাবুয়ে। ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। জবাবে ৩৬ ওভারে ৩ উইকেটে ২০০ রান করে বাংলাদেশ।
রান তাড়ায় এদিন বাংলাদেশের ওপেনাররা ছিলেন দুর্দান্ত। জয়ের ভিত গড়ে দেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। উদ্বোধনী জুটিতে জমা করেন ১৫১ রান। তানাকা চিভাঙ্গার বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৮২ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৯ রান করেন সৌম্য।
সৌম্য ফিরলেও সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন তামিম। জয় থেকে বাংলাদেশ যখন ৩ রান দূরে, তামিমের প্রয়োজন ৬ রান। আর্নেস্ট মাসুকুর বলে ছক্কা মারতে গিয়ে সেঞ্চুরির আশা বিসর্জন দিতে হয় তাকে। ১০১ বলে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৯৪ রানে থামেন তামিম। একই ওভারে তাওহিদ হৃদয়কে (০) ফেরান মাসুকু। তাতে অবশ্য জয় পেতে অসুবিধা হয়নি বাংলাদেশের। ২৮ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে মাসুকু দুটি এবং চিভাঙ্গা এক উইকেট নেন।
এর আগে ইনিংসের শুরু থেকে বাংলাদেশি বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। ১২ রানে দলকে প্রথম উইকেট এনে দেন শরিফুল ইসলাম। আগের দিনের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারানকে (২) বোল্ড করেন শরিফুল। আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে (৬) সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ওয়ানডাউনে নেমে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করা ইনোসেন্ট কাইয়াকে ২৫ রানে থামান তাসকিনই।
উইকেট শিকারে তাসকিনের চেয়ে বেশি বিধ্বংসী ছিলেন শরিফুল। জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডারকে একাই থামান তিনি। আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্তে অবিচল ছিলেন ওয়েসলি মাদেভিরে। ৭৪ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৭৫ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি। তাকে সঙ্গ দেন ব্র্যাড ইভান্স। ৪৩ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তাকেও বিদায় করেন শরিফুল।
মাদেভিরে ও ইভান্স ছাড়া বাকিরা দাঁড়াতে পারেননি। ফলে, ২০০ রানের আগেই থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
বাংলাদেশের পক্ষে ১০ ওভারে এক মেডেনসহ ৪৪ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন শরিফুল। ১০ ওভারে ৪ মেডেনসহ ৩২ রানে তাসকিনের শিকার ২ উইকেট।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24
কমেন্ট বক্স