বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির শর্তাবলীতে নিজের আখের গুছিয়ে নেয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনকে প্রভাবিত করতে পর্দার আড়ালে এক নতুন চাণক্য নীতি গ্রহণ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
একটি নির্ভরযোগ্য ইসরাইলি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু এই চুক্তির গতিপথ নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে কট্টর ইসরাইল-পন্থী মার্কিন সিনেটর এবং ডানপন্থী প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের ব্যবহার করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই, খুলছে হরমুজ প্রণালীযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই, খুলছে হরমুজ প্রণালী
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন, দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সই হতে যাচ্ছে। তবে, নেতানিয়াহুর গভীর বিশ্বাস, চুক্তি হলেও তেহরান কোনো অবস্থাতেই তাদের দেওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি বা বাধ্যবাধকতা মেনে চলবে না। ইরানের ওপর এই অবিশ্বাসের বার্তাটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কান পর্যন্ত নিখুঁতভাবে পৌঁছে দিতেই নেতানিয়াহু মার্কিন লবিং ও মিডিয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফক্স নিউজের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কট্টর ডানপন্থী টক-শো হোস্ট মার্ক লেভিনের মতো প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং মার্কিন কংগ্রেসে থাকা প্রোপাগান্ডা ছড়াতে ওস্তাদ ইসরাইলপন্থী রাজনীতিকদের কাজে লাগাবেন নেতানিয়াহু। এই গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মাধ্যমে ট্রাম্পের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা হবে, যাতে চুক্তির চূড়ান্ত শর্তগুলো ইসরায়েলের নিরাপত্তার অনুকূলে থাকে এবং ইরানের ওপর কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়।
ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির ১৪ দফা প্রকাশ করল হোয়াইট হাউসইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির ১৪ দফা প্রকাশ করল হোয়াইট হাউস
সিএনএন তাদের এই চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনের সত্যতা ও আনুষ্ঠানিক মন্তব্যের জন্য ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে এই লবিং ও ট্রাম্পকে প্রভাবিত করার গোপন কৌশল নিয়ে নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রক্রিয়ার মাঝে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন চাল মার্কিন রাজনৈতিক মহলে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
একটি নির্ভরযোগ্য ইসরাইলি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু এই চুক্তির গতিপথ নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে কট্টর ইসরাইল-পন্থী মার্কিন সিনেটর এবং ডানপন্থী প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের ব্যবহার করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই, খুলছে হরমুজ প্রণালীযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই, খুলছে হরমুজ প্রণালী
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন, দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সই হতে যাচ্ছে। তবে, নেতানিয়াহুর গভীর বিশ্বাস, চুক্তি হলেও তেহরান কোনো অবস্থাতেই তাদের দেওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি বা বাধ্যবাধকতা মেনে চলবে না। ইরানের ওপর এই অবিশ্বাসের বার্তাটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কান পর্যন্ত নিখুঁতভাবে পৌঁছে দিতেই নেতানিয়াহু মার্কিন লবিং ও মিডিয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফক্স নিউজের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কট্টর ডানপন্থী টক-শো হোস্ট মার্ক লেভিনের মতো প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং মার্কিন কংগ্রেসে থাকা প্রোপাগান্ডা ছড়াতে ওস্তাদ ইসরাইলপন্থী রাজনীতিকদের কাজে লাগাবেন নেতানিয়াহু। এই গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মাধ্যমে ট্রাম্পের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা হবে, যাতে চুক্তির চূড়ান্ত শর্তগুলো ইসরায়েলের নিরাপত্তার অনুকূলে থাকে এবং ইরানের ওপর কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়।
ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির ১৪ দফা প্রকাশ করল হোয়াইট হাউসইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির ১৪ দফা প্রকাশ করল হোয়াইট হাউস
সিএনএন তাদের এই চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনের সত্যতা ও আনুষ্ঠানিক মন্তব্যের জন্য ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে এই লবিং ও ট্রাম্পকে প্রভাবিত করার গোপন কৌশল নিয়ে নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রক্রিয়ার মাঝে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন চাল মার্কিন রাজনৈতিক মহলে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।