বাংলা রিলিজ, স্পোর্টস ডেস্ক: নিরুত্তাপ প্রথমার্ধে যতটুকু আক্রমণ দেখা গেল সেটি এলো পানামার কাছ থেকে। তবে চিত্র বদলালো দ্বিতীয়ার্ধে। এই অর্ধের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালাল ঘানা। কিন্তু পানামার গোলমূখ খুলতে পারছিল না তারা। শেষ মুহূর্তে এসে ধরা দিল সোনার হরিণ গোল। জয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল ঘানা।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ঘানা আর পানামা। ১০০ মিনিটের রোমাঞ্চ শেষে ১-০ গোলের জয়ে আসর শুরু করল ঘানা।
প্রথমার্ধে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও কাজে লাগাতে পারেনি পানাম। রক্ষণাত্মক ঘানার ডিফেন্স গিয়ে আটকে যেতে হয় তাদের। বিপরীতে, কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগের অপেক্ষায় থাকা প্রথার্ধে কোনো আক্রমণই করতে পারেনি। এই অর্ধে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলানো আর বল দখলের জন্যই কেটেছে তাদের।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল শুরু করে ঘানা। খোলস থেকে বেড়িয়ে এসে খেলতে থাকে তারা। প্রধমার্ধে গোলের জন্য একটি শটও না নেওয়া ঘানা এই অর্ধে গোলের জন্য শট নেয় ৮টি। যার মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে ছিল।
আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোল পাওয়া হচ্ছিল না ঘানার। মূলত কাউন্টার অ্যাটাকে পানামার রক্ষণ ভাঙ্গার চেষ্টা করছিল তারা। ম্যাচ যখন সমতায় শেষ হওয়ার পথে তখনই আসে সেই মাহেদ্রক্ষণ।
ম্যাচের ছয় মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে বামপ্রান্ত দিয়ে আকম্রণে ওঠে ঘানা। ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে পানামার ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের মধ্যে ক্রস বাড়ান। সেই ক্রস ধরে দারুণ শটে বল জালে জড়ান ক্যালেব ইরেনকি। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো দল।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ঘানা আর পানামা। ১০০ মিনিটের রোমাঞ্চ শেষে ১-০ গোলের জয়ে আসর শুরু করল ঘানা।
প্রথমার্ধে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও কাজে লাগাতে পারেনি পানাম। রক্ষণাত্মক ঘানার ডিফেন্স গিয়ে আটকে যেতে হয় তাদের। বিপরীতে, কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগের অপেক্ষায় থাকা প্রথার্ধে কোনো আক্রমণই করতে পারেনি। এই অর্ধে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলানো আর বল দখলের জন্যই কেটেছে তাদের।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল শুরু করে ঘানা। খোলস থেকে বেড়িয়ে এসে খেলতে থাকে তারা। প্রধমার্ধে গোলের জন্য একটি শটও না নেওয়া ঘানা এই অর্ধে গোলের জন্য শট নেয় ৮টি। যার মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে ছিল।
আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোল পাওয়া হচ্ছিল না ঘানার। মূলত কাউন্টার অ্যাটাকে পানামার রক্ষণ ভাঙ্গার চেষ্টা করছিল তারা। ম্যাচ যখন সমতায় শেষ হওয়ার পথে তখনই আসে সেই মাহেদ্রক্ষণ।
ম্যাচের ছয় মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে বামপ্রান্ত দিয়ে আকম্রণে ওঠে ঘানা। ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে পানামার ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের মধ্যে ক্রস বাড়ান। সেই ক্রস ধরে দারুণ শটে বল জালে জড়ান ক্যালেব ইরেনকি। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো দল।