বাংলা রিলিজ ডেস্ক: পদ্মা সেতু রেল সংযোগ সেতুর নারায়ণগঞ্জ অংশের চারটি পিয়ারের নিচের মাটি কেটে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র পার্শ্ববর্তী একটি ইটভাটায় এ মাটি কেটে বিক্রি করে দিচ্ছে।
সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন যাওয়া সময় পিয়ারের নিচের মাটিতে তীব্র কম্পন (ভাইব্রেন্ট) সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সেতুর পিয়ার ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এদিকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। বিষয়টি অবগত আছেন বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সচিব। তিনি বলেছেন, খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হবে।
ফতুল্লার আলীগঞ্জ-ইদ্রাকপুর এলাকায় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ সেতুর ৮৪ নম্বর পিয়ার থেকে ৮৭ নম্বর পিয়ার পর্যন্ত প্রায় ৬ ফুট গর্ত করে ভেকু দিয়ে কেটে মাটি বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র।
জানা গেছে, চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড (সিআরইসি) ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংযোগ সেতু নির্মাণ করেন। বাংলাদেশ পক্ষে নির্মাণ কাজের তদারকি করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি সেল)।
গত পাঁচ-ছয় দিন ধরে ৮৪ নম্বর পিয়ার থেকে ৮৭ নম্বর পিয়ার পর্যন্ত প্রায় ৬ ফুট গর্ত করে ভেকু দিয়ে কেটে নিচ্ছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আবু বক্কর ও তার অনুসারীরা। অনুমতি আছে- এমন একটি কাগজ দেখিয়ে পিলারের গোড়ার মাটি ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। এভাবে পিয়ারে গোড়ার মাটি বিক্রি করে পিয়ারগুলোকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদারি কাজের তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে গত কয়েক দিন ধরে দিন-রাত ভেকু লাগিয়ে পিয়ার ও আশপাশের ভূমির মাটি কেটে পার্শ্ববর্তী বোরহান হাজির ইটভাটায় এ মাটি বিক্রি করছে বোরহান হাজীর ইউএসএ ইটভাটায় গিয়ে সন্ধান মেলে মাটির বিশাল স্তূপের।
বোরহান হাজির ইটভাটার কাজে নিয়োজিত কর্মচারী সাব্বির হোসেন বলেন, পদ্মা সেতুর রেলসংযোগ সেতুর পিয়ার নিচের মাটি যারা বিক্রি করছেন, তাদের কাছ থেকে কিনেছেন ভাটা মালিক বোরহান হাজী। ক্রয়কৃত মাটি তাদের ইটভাটায় ভেতরে স্তূপ করে রেখেছেন।
তবে ইটভাটার মালিকপক্ষের দাবি, ইট তৈরির জন্য মাটি কেটে বড় বড় গর্ত করেছেন। সেই গর্ত ভরার জন্য বালু মাটিগুলো তারা ক্রয় করেছেন।
এ ব্যাপারে আবু বক্করের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
পদ্মা সেতুর পিয়ারের মাটি বিক্রি করার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু। তিনি বলেন, এভাবে সরকারি স্থাপনার মাটি বিক্রি যারা করছে তারা ঠিক করছে না।
ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান বলেন, ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। সেতুটি রেলওয়ের হলেও প্রকল্পটির দায়িত্বে রয়েছে সেনাবাহিনী। যারা মাটি কেটে নিচ্ছেন, তারা জানিয়েছেন- প্রকল্পের নির্মাণকারী সংস্থা চায়না কোম্পানির কাছ থেকে মাটি কাটার ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছেন। এটি এ প্রকল্পের কাজেরই অংশ। যেহেতু এটি নিয়ে একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তাই আপাতত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে কখনো এমন মাটি কাটার অনুমোদন দেয় না। যারা মাটি কাটছেন, তারা যদি কোনো অনুমোদন দেখিয়ে থাকেন, সেই কাগজপত্র যাচাই করে দেখতে হবে।
এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পিয়ারের নিচে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক সদর উপজেলার ফতুল্লা সার্কেলের সহকারী কমিশনকে (ভূমি) সরেজমিন পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন বলে জানান জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। তিনি বলেন, কাজের তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ডাকা হয়েছিলো। তাদের কাছে মাটি কাটার বৈধ কাগজপত্র চাওয়া হয়েছিল; কিন্তু তাদের কথায় সন্তোষজনক উত্তর না পেয়ে মাটি কাটা বন্ধ রেখে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম টেলিফোনে জানান, বিষয়টি তারা অবগত আছেন। পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ সেতু নির্মাণ কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ছিল। অস্থায়ী রাস্তা নির্মাণ করে মালামাল পরিবহণ করবে। পরবর্তীতে অস্থায়ী রাস্তার মাটি সরিয়ে নেবে। সেই আলোকেই অস্থায়ী রাস্তার মাটি কেটে নিচ্ছিল; কিন্তু দীর্ঘ দিন হওয়ার কারণে মাটি পিয়ার সঙ্গে মিশে গেছে বলে মনে হচ্ছে। তবে পিয়ারের নিচের মাটি কেটে নিচ্ছে- বিষয়টি এমন নয়; কিন্তু তার পরও আমরা মাটি কাটা বন্ধ করে দিয়েছি। যেহেতু মাটি বসে গিয়েছে সেখানে আমরা বৃক্ষরোপণ করব।
সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন যাওয়া সময় পিয়ারের নিচের মাটিতে তীব্র কম্পন (ভাইব্রেন্ট) সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সেতুর পিয়ার ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এদিকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। বিষয়টি অবগত আছেন বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সচিব। তিনি বলেছেন, খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হবে।
ফতুল্লার আলীগঞ্জ-ইদ্রাকপুর এলাকায় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ সেতুর ৮৪ নম্বর পিয়ার থেকে ৮৭ নম্বর পিয়ার পর্যন্ত প্রায় ৬ ফুট গর্ত করে ভেকু দিয়ে কেটে মাটি বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র।
জানা গেছে, চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড (সিআরইসি) ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংযোগ সেতু নির্মাণ করেন। বাংলাদেশ পক্ষে নির্মাণ কাজের তদারকি করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি সেল)।
গত পাঁচ-ছয় দিন ধরে ৮৪ নম্বর পিয়ার থেকে ৮৭ নম্বর পিয়ার পর্যন্ত প্রায় ৬ ফুট গর্ত করে ভেকু দিয়ে কেটে নিচ্ছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আবু বক্কর ও তার অনুসারীরা। অনুমতি আছে- এমন একটি কাগজ দেখিয়ে পিলারের গোড়ার মাটি ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। এভাবে পিয়ারে গোড়ার মাটি বিক্রি করে পিয়ারগুলোকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদারি কাজের তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে গত কয়েক দিন ধরে দিন-রাত ভেকু লাগিয়ে পিয়ার ও আশপাশের ভূমির মাটি কেটে পার্শ্ববর্তী বোরহান হাজির ইটভাটায় এ মাটি বিক্রি করছে বোরহান হাজীর ইউএসএ ইটভাটায় গিয়ে সন্ধান মেলে মাটির বিশাল স্তূপের।
বোরহান হাজির ইটভাটার কাজে নিয়োজিত কর্মচারী সাব্বির হোসেন বলেন, পদ্মা সেতুর রেলসংযোগ সেতুর পিয়ার নিচের মাটি যারা বিক্রি করছেন, তাদের কাছ থেকে কিনেছেন ভাটা মালিক বোরহান হাজী। ক্রয়কৃত মাটি তাদের ইটভাটায় ভেতরে স্তূপ করে রেখেছেন।
তবে ইটভাটার মালিকপক্ষের দাবি, ইট তৈরির জন্য মাটি কেটে বড় বড় গর্ত করেছেন। সেই গর্ত ভরার জন্য বালু মাটিগুলো তারা ক্রয় করেছেন।
এ ব্যাপারে আবু বক্করের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
পদ্মা সেতুর পিয়ারের মাটি বিক্রি করার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু। তিনি বলেন, এভাবে সরকারি স্থাপনার মাটি বিক্রি যারা করছে তারা ঠিক করছে না।
ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান বলেন, ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। সেতুটি রেলওয়ের হলেও প্রকল্পটির দায়িত্বে রয়েছে সেনাবাহিনী। যারা মাটি কেটে নিচ্ছেন, তারা জানিয়েছেন- প্রকল্পের নির্মাণকারী সংস্থা চায়না কোম্পানির কাছ থেকে মাটি কাটার ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছেন। এটি এ প্রকল্পের কাজেরই অংশ। যেহেতু এটি নিয়ে একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তাই আপাতত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে কখনো এমন মাটি কাটার অনুমোদন দেয় না। যারা মাটি কাটছেন, তারা যদি কোনো অনুমোদন দেখিয়ে থাকেন, সেই কাগজপত্র যাচাই করে দেখতে হবে।
এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পিয়ারের নিচে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক সদর উপজেলার ফতুল্লা সার্কেলের সহকারী কমিশনকে (ভূমি) সরেজমিন পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন বলে জানান জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। তিনি বলেন, কাজের তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ডাকা হয়েছিলো। তাদের কাছে মাটি কাটার বৈধ কাগজপত্র চাওয়া হয়েছিল; কিন্তু তাদের কথায় সন্তোষজনক উত্তর না পেয়ে মাটি কাটা বন্ধ রেখে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম টেলিফোনে জানান, বিষয়টি তারা অবগত আছেন। পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ সেতু নির্মাণ কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ছিল। অস্থায়ী রাস্তা নির্মাণ করে মালামাল পরিবহণ করবে। পরবর্তীতে অস্থায়ী রাস্তার মাটি সরিয়ে নেবে। সেই আলোকেই অস্থায়ী রাস্তার মাটি কেটে নিচ্ছিল; কিন্তু দীর্ঘ দিন হওয়ার কারণে মাটি পিয়ার সঙ্গে মিশে গেছে বলে মনে হচ্ছে। তবে পিয়ারের নিচের মাটি কেটে নিচ্ছে- বিষয়টি এমন নয়; কিন্তু তার পরও আমরা মাটি কাটা বন্ধ করে দিয়েছি। যেহেতু মাটি বসে গিয়েছে সেখানে আমরা বৃক্ষরোপণ করব।