যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় নির্মমভাবে নিহত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দেহাবশেষ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংসদে জামালপুর-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবুর টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
ড. খলিলুর রহমান সংসদকে জানান, ওই দুই শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যুর পর থেকেই ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ফ্লোরিডায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারা নিহতদের শোকার্ত পরিবার, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নিহত শিক্ষার্থীদের দেহাবশেষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি বর্তমানে সরকারের বিশেষ তদারকিতে রয়েছে।
বিদেশে কর্মরত ও অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দূতাবাসগুলো যাতে প্রবাসীদের জন্য কেবল দাপ্তরিক ভবন না হয়ে ‘আস্থার ঠিকানা’ হিসেবে গড়ে ওঠে, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকবলিত এলাকায় থাকা বাংলাদেশিদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয় ও প্রত্যাবাসনের জন্য কনস্যুলার সহায়তা জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বাংলাদেশিদের ওপর সহিংসতা বা নিরাপত্তাহীনতার ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য দূতাবাসগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলেও মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।
ড. খলিলুর রহমান সংসদকে জানান, ওই দুই শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যুর পর থেকেই ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ফ্লোরিডায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারা নিহতদের শোকার্ত পরিবার, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নিহত শিক্ষার্থীদের দেহাবশেষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি বর্তমানে সরকারের বিশেষ তদারকিতে রয়েছে।
বিদেশে কর্মরত ও অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দূতাবাসগুলো যাতে প্রবাসীদের জন্য কেবল দাপ্তরিক ভবন না হয়ে ‘আস্থার ঠিকানা’ হিসেবে গড়ে ওঠে, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকবলিত এলাকায় থাকা বাংলাদেশিদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয় ও প্রত্যাবাসনের জন্য কনস্যুলার সহায়তা জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বাংলাদেশিদের ওপর সহিংসতা বা নিরাপত্তাহীনতার ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য দূতাবাসগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলেও মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।