বাংলা রিলিজ, স্পোর্টস ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। ২৭ বলে ৫১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে তিনি ম্যাচসেরা হন।
তবে নিজের ইনিংসের চেয়েও সতীর্থ শামীম হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিং বেশি উপভোগ করেছেন এই অলরাউন্ডার। শামীম মাত্র ১৩ বলে ৩১ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছক্কা।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাওহীদ হৃদয় শামীমের ব্যাটিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি ওর ব্যাটিংটা সত্যি বলতে খুব এনজয় করি। কারণ ও এমন কিছু শট খেলে, যেটা আমাদের দলে খুব বেশি ব্যাটসম্যানের মধ্যে দেখা যায় না।
তাওহীদ আরও যোগ করেন, ‘নম্বর ছয় পজিশনে এমন একজন প্লেয়ারই দরকার, যে যেকোনো সময়, যেকোনো দিকেই রান বের করে নিতে পারে। এতে বোলাররাও অনেক চাপে পড়ে যায়। আজকে ও যে ছক্কাগুলো মেরেছে, খেয়াল করলে দেখা যাবে এ ধরনের শট আমরা খুব বেশি দেখি না (নো লুক শট)। তাই আশা করি, ও আরও কনসিস্টেন্ট হবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে, ইনশাআল্লাহ।’
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইমপ্যাক্ট বা প্রভাব কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তাওহীদ বলেন, ‘আমরা অনেক সময় ফিফটি বা হান্ড্রেডকে বড় করে দেখি, কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে ১০-১৫ রানের ইনিংসও অনেক ইমপ্যাক্টফুল হতে পারে, যদি সেটা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলা হয়। আজকে শামীম আর ইমন সেটা করেই ম্যাচটা আমাদের জন্য অনেক সহজ করে দিয়েছে।’
তাওহীদ এবং শামীমের এই জুটি বাংলাদেশের জয় সহজ করে দেয়। শামীমের এই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ইমপ্যাক্ট ম্যাচটিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাওহীদের কথাতেই তা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
তবে নিজের ইনিংসের চেয়েও সতীর্থ শামীম হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিং বেশি উপভোগ করেছেন এই অলরাউন্ডার। শামীম মাত্র ১৩ বলে ৩১ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছক্কা।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাওহীদ হৃদয় শামীমের ব্যাটিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি ওর ব্যাটিংটা সত্যি বলতে খুব এনজয় করি। কারণ ও এমন কিছু শট খেলে, যেটা আমাদের দলে খুব বেশি ব্যাটসম্যানের মধ্যে দেখা যায় না।
তাওহীদ আরও যোগ করেন, ‘নম্বর ছয় পজিশনে এমন একজন প্লেয়ারই দরকার, যে যেকোনো সময়, যেকোনো দিকেই রান বের করে নিতে পারে। এতে বোলাররাও অনেক চাপে পড়ে যায়। আজকে ও যে ছক্কাগুলো মেরেছে, খেয়াল করলে দেখা যাবে এ ধরনের শট আমরা খুব বেশি দেখি না (নো লুক শট)। তাই আশা করি, ও আরও কনসিস্টেন্ট হবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে, ইনশাআল্লাহ।’
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইমপ্যাক্ট বা প্রভাব কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তাওহীদ বলেন, ‘আমরা অনেক সময় ফিফটি বা হান্ড্রেডকে বড় করে দেখি, কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে ১০-১৫ রানের ইনিংসও অনেক ইমপ্যাক্টফুল হতে পারে, যদি সেটা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলা হয়। আজকে শামীম আর ইমন সেটা করেই ম্যাচটা আমাদের জন্য অনেক সহজ করে দিয়েছে।’
তাওহীদ এবং শামীমের এই জুটি বাংলাদেশের জয় সহজ করে দেয়। শামীমের এই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ইমপ্যাক্ট ম্যাচটিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাওহীদের কথাতেই তা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।