কলেজ শিক্ষার্থী ইকবাল হত্যাকাণ্ডে একই পরিবারের ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপলোড সময় : ২১-০৪-২০২৬ ০৭:০২:০৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-০৪-২০২৬ ০৭:০২:০৭ অপরাহ্ন

বাংলা রিলিজ ডেস্ক:   জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের তারাকান্দায় কলেজছাত্র শাহীনুর আলম ইকবাল (১৯) হত্যা মামলায় একই পরিবারের সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার দুই নারী আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ময়মনসিংহের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন জনাকীর্ণ আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১), শামছুল হক (৪৪), আসিফ রানা নাঈম (২৪), মো. আব্দুল হেলিম (৫১) এবং মো. ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু (১৯)। দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই একই পরিবারের সদস্য।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মোছা. খালেদা আক্তার (৪৯) ও মো. গোলাম হোসেনের স্ত্রী মোছা. রেহেনা খাতুন (৪৮)। তাদের সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩১ মে রাতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তারাকান্দার মুদি ব্যবসায়ী আব্দুর রউফের ছেলে শাহীনুর আলম ইকবালকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ গুম করতে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাঙ্কে পুঁতে রাখা হয় এবং জনমনে সন্দেহ দূর করতে তার ওপর মৃত শিয়াল ও গোবর ফেলে গাছ লাগিয়ে দেওয়া হয়
নিখোঁজের পাঁচদিন পর পচা দুর্গন্ধে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে পুলিশ অভিযুক্তদের বাড়ির পাশের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে ইকবালের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ইকবাল ময়মনসিংহ নগরীর রুমডো পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন।
মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল। তিনি রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর করার আশা জানান।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান জানান, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক ও প্রকাশক : 

নির্বাহী সম্পাদক : 

বার্তা সম্পাদক : 


অফিস :

অফিস : 

ইমেইল : 

মোবাইল :