আহমদ আনছারী, নিজস্ব প্রতিনিধি: পুলিশের আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকারও আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়া ও নিয়ম মেনে চলতে হবে।
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জাহেদ উর রহমান বলেন, পুলিশের বলপ্রয়োগ করার আইনি অধিকার আছে। পুলিশ আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকার আছে, যদি সেই ধরনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়, আইনি অধিকারের মধ্যে। কিন্তু যে কথাটা বারবার বলছি, সেটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং প্রপোশনেট বল প্রয়োগের মাধ্যমে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আমি আগে একদিন বলেছিলাম বাংলাদেশের পুলিশ শেখ হাসিনার পুলিশের মতো আর হবে এটা আমি আশা করি না। আমি একজন নাগরিক হিসেবে বলছি, সরকারি মানুষ হিসেবে বলছি না। একটা জিনিস একটু আমরা মাথায় রাখব, সেটা হচ্ছে কোনো একটা অস্থিরতা বা আনরেস্ট সরকার কীভাবে হ্যান্ডেল করবে? কীভাবে সেটাকে ডিল করবে?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোথাও কোথাও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বল প্রয়োগের ঘটনা দেখা গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনারা হয়তো দেখেছেন, কোথাও কোথাও ডিসপ্রপোশনেট বল প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। আমি সরকারে থেকেই কথা বলছি না।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ফলে যে কথাটা বলতে চেয়েছি যে, আগে যেভাবে এগুলো দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে এই সরকার সেভাবে চাচ্ছে না। কারণ দিনের শেষে আমরা কিশোর গ্যাং বলি বা অন্য কাউকে বলি না কেন, এরা এই রাষ্ট্রের নাগরিক।
আন্দোলনকারীদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য থাকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, যখন তারা আসছেন, গোয়েন্দা তথ্য আছে এবং সেটা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলেছেন, এটা কীভাবে হচ্ছে? এর পুরো সবকিছুই সেই বাহিনীর কাছে আছে। কিন্তু আমরা এটাকে এমনভাবে করতে চাই যেন এটা জনগণের ওপরে খুব কম ভয়-ক্ষতি হয়, খুব কম সমস্যা হয়, সেভাবেই করতে চাই।
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে শ্রমিকদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার আগেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আমরা আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটা শেষ হবে। কারণ প্রাথমিকভাবে কিন্তু পোশাক শ্রমিকরাও মাঠে নেমেছিলেন। কারণ তাদের কিছু ন্যায্য দাবি ছিল। এখন যেহেতু কমিশন তৈরি হয়েছে, আমরা আশা করি তাদের আমরা বোঝাতে পারব, তারা যেন আর মাঠে না নামে।
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জাহেদ উর রহমান বলেন, পুলিশের বলপ্রয়োগ করার আইনি অধিকার আছে। পুলিশ আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকার আছে, যদি সেই ধরনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়, আইনি অধিকারের মধ্যে। কিন্তু যে কথাটা বারবার বলছি, সেটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং প্রপোশনেট বল প্রয়োগের মাধ্যমে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আমি আগে একদিন বলেছিলাম বাংলাদেশের পুলিশ শেখ হাসিনার পুলিশের মতো আর হবে এটা আমি আশা করি না। আমি একজন নাগরিক হিসেবে বলছি, সরকারি মানুষ হিসেবে বলছি না। একটা জিনিস একটু আমরা মাথায় রাখব, সেটা হচ্ছে কোনো একটা অস্থিরতা বা আনরেস্ট সরকার কীভাবে হ্যান্ডেল করবে? কীভাবে সেটাকে ডিল করবে?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোথাও কোথাও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বল প্রয়োগের ঘটনা দেখা গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনারা হয়তো দেখেছেন, কোথাও কোথাও ডিসপ্রপোশনেট বল প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। আমি সরকারে থেকেই কথা বলছি না।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ফলে যে কথাটা বলতে চেয়েছি যে, আগে যেভাবে এগুলো দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে এই সরকার সেভাবে চাচ্ছে না। কারণ দিনের শেষে আমরা কিশোর গ্যাং বলি বা অন্য কাউকে বলি না কেন, এরা এই রাষ্ট্রের নাগরিক।
আন্দোলনকারীদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য থাকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, যখন তারা আসছেন, গোয়েন্দা তথ্য আছে এবং সেটা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলেছেন, এটা কীভাবে হচ্ছে? এর পুরো সবকিছুই সেই বাহিনীর কাছে আছে। কিন্তু আমরা এটাকে এমনভাবে করতে চাই যেন এটা জনগণের ওপরে খুব কম ভয়-ক্ষতি হয়, খুব কম সমস্যা হয়, সেভাবেই করতে চাই।
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে শ্রমিকদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার আগেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আমরা আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটা শেষ হবে। কারণ প্রাথমিকভাবে কিন্তু পোশাক শ্রমিকরাও মাঠে নেমেছিলেন। কারণ তাদের কিছু ন্যায্য দাবি ছিল। এখন যেহেতু কমিশন তৈরি হয়েছে, আমরা আশা করি তাদের আমরা বোঝাতে পারব, তারা যেন আর মাঠে না নামে।