নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ : দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি এক হাজার ২৪৯ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত একদিনে নতুন করে এক হাজার ৩১৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে শুধু ঢাকা বিভাগেই হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগে হামের উপসর্গে একজন করে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ২৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২৫১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২৬ হাজার ৩৫৭ জনে। এ ছাড়া গত একদিনে নতুন করে ৬৪ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৩ হাজার ৬৯৫ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে দুই লাখ এক হাজার ৪৬৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ৩০১ জন।
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৮৮৬
এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৫ জন মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ৮৮৬ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে সারা দেশে হাসপাতালে ভর্তি আছে ছয় হাজার ২৫১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডেঙ্গুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ ও আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেপ্টেম্বরে দেশে ডেঙ্গুর অবস্থার আরও অবনতি ঘটে, প্রাণহানি হয় ১৪৮ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে শুধু ঢাকা বিভাগেই হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগে হামের উপসর্গে একজন করে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ২৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২৫১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২৬ হাজার ৩৫৭ জনে। এ ছাড়া গত একদিনে নতুন করে ৬৪ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৩ হাজার ৬৯৫ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে দুই লাখ এক হাজার ৪৬৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ৩০১ জন।
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৮৮৬
এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৫ জন মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ৮৮৬ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে সারা দেশে হাসপাতালে ভর্তি আছে ছয় হাজার ২৫১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডেঙ্গুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ ও আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেপ্টেম্বরে দেশে ডেঙ্গুর অবস্থার আরও অবনতি ঘটে, প্রাণহানি হয় ১৪৮ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।