বাংলা রিলিজ, বিনোদন ডেস্ক: ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের ব্যস্ত চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপির মা মরিয়ম বেগম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর মগবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা ও অভিনেতা রবিউল ইসলাম রাজ।
তিনি জানান, মরিয়ম বেগমের প্রথম জানাজা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে খুলনায় গ্রামের বাড়িতে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ সময় ধরে বিনোদনজগতের আড়ালে রয়েছেন ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পপি। চলচ্চিত্রের সহকর্মীদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রায়। এর মধ্যেই মায়ের মৃত্যুর খবর সামনে আসায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পপির। অভিনয় ও নৃত্যগুণে অল্প সময়েই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি সামাজিক ও ভিন্নধারার গল্পেও কাজ করেছেন। উপহার দিয়েছেন বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সিনেমা।
পপির ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য ১০ সিনেমা হলো—কুলি, বিদ্রোহ চারিদিকে, কারাগার, মেঘের কোলে রোদ, গঙ্গাযাত্রা, দুই বেয়াইয়ের কীর্তি, লাল বাদশা, চারিদিকে শত্রু, রানী কুঠির বাকি ইতিহাস ও সিটি টেরর। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় অভিনয় থেকে দূরে সরে যান এই অভিনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নতুন কোনো কাজ কিংবা চলচ্চিত্র অঙ্গনে উপস্থিতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে না।
আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা ও অভিনেতা রবিউল ইসলাম রাজ।
তিনি জানান, মরিয়ম বেগমের প্রথম জানাজা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে খুলনায় গ্রামের বাড়িতে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ সময় ধরে বিনোদনজগতের আড়ালে রয়েছেন ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পপি। চলচ্চিত্রের সহকর্মীদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রায়। এর মধ্যেই মায়ের মৃত্যুর খবর সামনে আসায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পপির। অভিনয় ও নৃত্যগুণে অল্প সময়েই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি সামাজিক ও ভিন্নধারার গল্পেও কাজ করেছেন। উপহার দিয়েছেন বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সিনেমা।
পপির ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য ১০ সিনেমা হলো—কুলি, বিদ্রোহ চারিদিকে, কারাগার, মেঘের কোলে রোদ, গঙ্গাযাত্রা, দুই বেয়াইয়ের কীর্তি, লাল বাদশা, চারিদিকে শত্রু, রানী কুঠির বাকি ইতিহাস ও সিটি টেরর। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় অভিনয় থেকে দূরে সরে যান এই অভিনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নতুন কোনো কাজ কিংবা চলচ্চিত্র অঙ্গনে উপস্থিতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে না।