নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: রাজধানীর গুলশানে কিংফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চারটি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল।
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল রোববার দিনগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে গুলশানের ৪৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত কিংফিশার রেস্টুরেন্ট লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ অভিযানে কাস্টমস, আয়কর ও ভ্যাট-সংক্রান্ত অনিয়ম খতিয়ে দেখা হয়।
উচ্চ শুল্ক আরোপযোগ্য অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সংগ্রহ ও বিক্রি করা হচ্ছে এমন তথ্যর ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এসব পণ্যের উৎস বৈধ কি না, আমদানি ও মজুদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে কি না এবং বিক্রির ক্ষেত্রে যথাযথ ভ্যাট দেওয়া হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া পণ্য বিক্রি করে পাওয়া অর্থ আয়কর নথিতে যথাযথভাবে দেখানো হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনে অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এনবিআরের নির্দেশনায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে চারটি সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ দলটি অভিযান পরিচালনা করে। সংস্থাগুলো হলো-সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (টিআইআইইউ) এবং ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভিএআইআইডি)। অভিযানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১) সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জব্দ পণ্যের পরিমাণ, সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির হিসাব এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল রোববার দিনগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে গুলশানের ৪৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত কিংফিশার রেস্টুরেন্ট লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ অভিযানে কাস্টমস, আয়কর ও ভ্যাট-সংক্রান্ত অনিয়ম খতিয়ে দেখা হয়।
উচ্চ শুল্ক আরোপযোগ্য অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সংগ্রহ ও বিক্রি করা হচ্ছে এমন তথ্যর ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এসব পণ্যের উৎস বৈধ কি না, আমদানি ও মজুদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে কি না এবং বিক্রির ক্ষেত্রে যথাযথ ভ্যাট দেওয়া হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া পণ্য বিক্রি করে পাওয়া অর্থ আয়কর নথিতে যথাযথভাবে দেখানো হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনে অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এনবিআরের নির্দেশনায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে চারটি সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ দলটি অভিযান পরিচালনা করে। সংস্থাগুলো হলো-সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (টিআইআইইউ) এবং ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভিএআইআইডি)। অভিযানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১) সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জব্দ পণ্যের পরিমাণ, সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির হিসাব এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।