বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফ্রান্সে বেতন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও সরকারি সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ বাড়তে থাকায় নতুন করে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে শ্রমিক সংগঠন ও আন্দোলনকারীরা। আগামী শনিবার (৩১ অক্টােবর) আবারও রাজপথে নামার পাশাপাশি ৫ নভেম্বর দেশব্যাপী ধর্মঘটের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। খবর রয়টার্সের।
গত শনিবারের (২৪ অক্টােবর) বিক্ষোভে দেশজুড়ে প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য। এদিন ১ হাজার ৩১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।
২৪ অক্টোবর দক্ষিণ-পূর্ব ফ্রান্সের মার্সেই শহরে আয়োজিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ফরাসি জাতীয় পতাকা হাতে ফরাসি রিপাবলিকান সিকিউরিটি কর্পস কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হন। ছবি: এএফপি
শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, শিক্ষার্থীদের দিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন শ্রমিক, শিক্ষক, অগ্নিনির্বাপণকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৮ সালে জ্বালানি করের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের কর্মীরাও নতুন বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।
তবে আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকার চাপে রয়েছে। দুর্বল সরকারি অর্থব্যবস্থা ও সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ সীমিত। সরকার শ্রমিক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও প্রস্তাবিত উদ্যোগকে অপর্যাপ্ত বলছেন আন্দোলনকারীরা।
এদিকে পুলিশ ইউনিয়নগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে শনিবারের মতো বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রাখা কঠিন। ফ্রান্সের পাশাপাশি বেলজিয়াম, আলবেনিয়া ও ইতালিতেও সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
গত শনিবারের (২৪ অক্টােবর) বিক্ষোভে দেশজুড়ে প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য। এদিন ১ হাজার ৩১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।
২৪ অক্টোবর দক্ষিণ-পূর্ব ফ্রান্সের মার্সেই শহরে আয়োজিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ফরাসি জাতীয় পতাকা হাতে ফরাসি রিপাবলিকান সিকিউরিটি কর্পস কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হন। ছবি: এএফপি
শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, শিক্ষার্থীদের দিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন শ্রমিক, শিক্ষক, অগ্নিনির্বাপণকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৮ সালে জ্বালানি করের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের কর্মীরাও নতুন বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।
তবে আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকার চাপে রয়েছে। দুর্বল সরকারি অর্থব্যবস্থা ও সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ সীমিত। সরকার শ্রমিক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও প্রস্তাবিত উদ্যোগকে অপর্যাপ্ত বলছেন আন্দোলনকারীরা।
এদিকে পুলিশ ইউনিয়নগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে শনিবারের মতো বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রাখা কঠিন। ফ্রান্সের পাশাপাশি বেলজিয়াম, আলবেনিয়া ও ইতালিতেও সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।