বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। দেশটির সিভিল এভিয়েশন অথরিটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে একই দিনে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের শায়বাহ তেলক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। তবে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী সেই ড্রোনটি মাঝপথেই প্রতিহত করে ভূপাতিত করে। তা সত্ত্বেও ড্রোনটির দেহাংশ বা বিস্ফোরণে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে হুতি বাহিনী এবং সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের মধ্যকার চলমান সংঘাতের জেরে সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ধারাবাহিক প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।
ক্রমবর্ধমান এই নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থিত তাদের কূটনৈতিক মিশনের অ-জরুরি কর্মী ও তাদের পরিবারকে দেশটি ছাড়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে একই দিনে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের শায়বাহ তেলক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। তবে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী সেই ড্রোনটি মাঝপথেই প্রতিহত করে ভূপাতিত করে। তা সত্ত্বেও ড্রোনটির দেহাংশ বা বিস্ফোরণে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে হুতি বাহিনী এবং সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের মধ্যকার চলমান সংঘাতের জেরে সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ধারাবাহিক প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।
ক্রমবর্ধমান এই নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থিত তাদের কূটনৈতিক মিশনের অ-জরুরি কর্মী ও তাদের পরিবারকে দেশটি ছাড়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে।