বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে সৌদি আরব। এই পরিস্থিতিতে দেশটির রাজধানী রিয়াদের অন্যতম প্রধান প্রতীক ও অন্যতম শীর্ষ আকাশচুম্বী ভবন ‘কিংডম সেন্টার’-এর সব অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বহুতল ভবনের সব করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে বাসা থেকে কাজ করার বা ‘হোম অফিস’ পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
ভবনটির অফিস ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ভাড়াটে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠানো এক জরুরি ই-মেইল বার্তায় জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য দূরবর্তী কর্মপরিবেশ বা রিমোট ওয়ার্কিং বাধ্যতামূলক করা হলো। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট সময়ে কাউকে অফিসে না আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে ৯৯ তলা বিশিষ্ট এই আইকনিক ভবনের নিচের অংশে অবস্থিত শপিংমলটি আপাতত সাধারণ ক্রেতাদের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
এদিকে সৌদির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার মার্কিন মিশন থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত এবং ভ্রমণেচ্ছুক আমেরিকানদের সম্ভাব্য বিমানবন্দর হামলা, ফ্লাইট বাতিল এবং আকাশসীমা আকস্মিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে আকাশপথে যাতায়াতের সময় মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সেখানকার স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রচণ্ডভাবে ব্যাহত হয়। মার্কিন মিশন জানিয়েছে, ওই হামলার ধাক্কা কাটিয়ে বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হলেও আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বহু ফ্লাইটের শিডিউল এখনো বিপর্যয় বা স্থগিতাবস্থায় রয়েছে। তবে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে। যদিও এই দুটি বিমানবন্দরেও অনেক ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণ বিলম্বিত হচ্ছে কিংবা বাতিল করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যারা এই মুহূর্তে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলো ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছেন, তারা যেন ভ্রমণের ঠিক আগমুহূর্তে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স কিংবা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত করে নেন। একই সঙ্গে যেকোনো আকস্মিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নাগরিকদের মোবাইল অ্যালার্ট অন রাখতে বলা হয়েছে, যাতে সৌদি সিভিল ডিফেন্সের জারি করা জাতীয় জরুরি সতর্কতা ও নির্দেশনাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে মেনে চলা যায়।
রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বহুতল ভবনের সব করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে বাসা থেকে কাজ করার বা ‘হোম অফিস’ পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
ভবনটির অফিস ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ভাড়াটে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠানো এক জরুরি ই-মেইল বার্তায় জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য দূরবর্তী কর্মপরিবেশ বা রিমোট ওয়ার্কিং বাধ্যতামূলক করা হলো। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট সময়ে কাউকে অফিসে না আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে ৯৯ তলা বিশিষ্ট এই আইকনিক ভবনের নিচের অংশে অবস্থিত শপিংমলটি আপাতত সাধারণ ক্রেতাদের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
এদিকে সৌদির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার মার্কিন মিশন থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত এবং ভ্রমণেচ্ছুক আমেরিকানদের সম্ভাব্য বিমানবন্দর হামলা, ফ্লাইট বাতিল এবং আকাশসীমা আকস্মিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে আকাশপথে যাতায়াতের সময় মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সেখানকার স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রচণ্ডভাবে ব্যাহত হয়। মার্কিন মিশন জানিয়েছে, ওই হামলার ধাক্কা কাটিয়ে বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হলেও আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বহু ফ্লাইটের শিডিউল এখনো বিপর্যয় বা স্থগিতাবস্থায় রয়েছে। তবে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে। যদিও এই দুটি বিমানবন্দরেও অনেক ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণ বিলম্বিত হচ্ছে কিংবা বাতিল করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যারা এই মুহূর্তে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলো ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছেন, তারা যেন ভ্রমণের ঠিক আগমুহূর্তে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স কিংবা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত করে নেন। একই সঙ্গে যেকোনো আকস্মিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নাগরিকদের মোবাইল অ্যালার্ট অন রাখতে বলা হয়েছে, যাতে সৌদি সিভিল ডিফেন্সের জারি করা জাতীয় জরুরি সতর্কতা ও নির্দেশনাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে মেনে চলা যায়।