তোফােয়েল আহমেদ, নিজস্ব প্রতিনিধি: আপনারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে খুব বেশিদিন আপনাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পারবেন না। হয়তো টু-থার্ড মেজরিটি আপনাদের আছে, যার শক্তিতে আপনারা ভাবছেন—সংবিধান সংশোধন করবেন। কিন্তু জনগণের রায় যেখানে থাকে না, সেখানে টু-থার্ড মেজরিটি কোনোভাবেই অগ্রসর হতে পারে না। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি হলো সংস্কারের উল্টো পথে যাত্রা এবং সংস্কারকে ভেস্তে দেওয়ার নামান্তর। সে কারণেই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণ করবে না।
আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন সরকারের উদ্দেশে ।
আখতার হোসেন বলেন, এই সংবিধান সংশোধন কমিটি সেটা বিলুপ্ত করে সরকার যাতে গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে, সে দাবি আমরা সরকারের কাছে আবারও ব্যক্ত করতে চাই। দুর্ভাগ্যের বিষয় আমরা সরকারের তরফ থেকে নানা ধরনের কথা শুনি—তারা সংস্কার বাস্তবায়ন করবে, তারা সংস্কারের জনক, নানা ধরনের কথা তাদের মুখে আমরা শুনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ’৯০ এ তিন জোটের রূপরেখা হওয়ার পরে তারা ক্ষমতায় এসেছিলেন এবং তখন তারা সেই তিন জোটের রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে চাননি, তারা যে সেটা বাস্তবায়ন করতে চাননি, তখন জাতির কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। এই বিষয়টা বিএনপির মধ্যে রয়ে গেছে যে তারা ’৯০ এর পরে যেমন তিন জোটের রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে চায়নি, তেমনি তারা এই জুলাইয়ের যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে চাইবে না।
এনসিপির এই নেতা বলেন, এ কারণে আমরা তাদেরকে স্পষ্ট করে বলি—আপনারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে খুব বেশিদিন আপনাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পারবেন না। হয়তো টু-থার্ড মেজরিটি আপনাদের আছে, যার শক্তিতে আপনারা ভাবছেন—সংবিধান সংশোধন করবেন। কিন্তু জনগণের রায় যেখানে থাকে না, সেখানে টু-থার্ড মেজরিটি কোনোভাবেই অগ্রসর হতে পারে না।
আখতার হোসেন আরও বলেন, আজকে এই ১৭ তারিখ, যেদিন জুলাই সনদ স্বাক্ষর করা হয়েছিল, সেই দিনে আমরা সরকারের কাছে স্পষ্টভাবে মেসেজ দিতে চাই—একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের রায় অনুযায়ী আপনারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করুন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী যে সাংবিধানিক কাঠামো বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট জারি রেখেছিল, সেটা পরিবর্তন করে একটা নতুন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দিকে আমরা যাতে অগ্রসর হতে পারি, সে ব্যাপারে আপনারা পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আর যদি আপনারা তা করতে ব্যর্থ হন, বাংলাদেশের জনগণ অবশ্যই এর বিহিত করে ছাড়বে। আমরা সরকারের কাছে এই উদাত্ত আহ্বান জানাই।
আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন সরকারের উদ্দেশে ।
আখতার হোসেন বলেন, এই সংবিধান সংশোধন কমিটি সেটা বিলুপ্ত করে সরকার যাতে গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে, সে দাবি আমরা সরকারের কাছে আবারও ব্যক্ত করতে চাই। দুর্ভাগ্যের বিষয় আমরা সরকারের তরফ থেকে নানা ধরনের কথা শুনি—তারা সংস্কার বাস্তবায়ন করবে, তারা সংস্কারের জনক, নানা ধরনের কথা তাদের মুখে আমরা শুনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ’৯০ এ তিন জোটের রূপরেখা হওয়ার পরে তারা ক্ষমতায় এসেছিলেন এবং তখন তারা সেই তিন জোটের রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে চাননি, তারা যে সেটা বাস্তবায়ন করতে চাননি, তখন জাতির কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। এই বিষয়টা বিএনপির মধ্যে রয়ে গেছে যে তারা ’৯০ এর পরে যেমন তিন জোটের রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে চায়নি, তেমনি তারা এই জুলাইয়ের যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে চাইবে না।
এনসিপির এই নেতা বলেন, এ কারণে আমরা তাদেরকে স্পষ্ট করে বলি—আপনারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে খুব বেশিদিন আপনাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পারবেন না। হয়তো টু-থার্ড মেজরিটি আপনাদের আছে, যার শক্তিতে আপনারা ভাবছেন—সংবিধান সংশোধন করবেন। কিন্তু জনগণের রায় যেখানে থাকে না, সেখানে টু-থার্ড মেজরিটি কোনোভাবেই অগ্রসর হতে পারে না।
আখতার হোসেন আরও বলেন, আজকে এই ১৭ তারিখ, যেদিন জুলাই সনদ স্বাক্ষর করা হয়েছিল, সেই দিনে আমরা সরকারের কাছে স্পষ্টভাবে মেসেজ দিতে চাই—একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের রায় অনুযায়ী আপনারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করুন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী যে সাংবিধানিক কাঠামো বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট জারি রেখেছিল, সেটা পরিবর্তন করে একটা নতুন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দিকে আমরা যাতে অগ্রসর হতে পারি, সে ব্যাপারে আপনারা পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আর যদি আপনারা তা করতে ব্যর্থ হন, বাংলাদেশের জনগণ অবশ্যই এর বিহিত করে ছাড়বে। আমরা সরকারের কাছে এই উদাত্ত আহ্বান জানাই।