নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ: রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের ভেতরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবে প্রবেশ করেন। পরে সেখানে নির্মাণাধীন একটি ভবনের পাশে সামনের সুইমিংপুলে মেয়েকে দিয়ে তিনি ভবনের ভেতরে যান। ঘণ্টাখানেক পর নিচতলায় সিঁড়ির পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। তিনি বনানীর একটি বাড়িতে পরিবারসহ বসবাস করতেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবের সুইমিংপুলে যান। তিনি চোখে কম দেখতেন। ওই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে যান। সেখানে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করেছি।
ডিসি জাহিদুল বলেন, এ বিষয়ে তার পরিবার ময়নাতদন্ত করতে না চাওয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, তার বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি বাংলাদেশে এলে তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দাফনকাজ সম্পন্ন করা হবে।
ঢাকা মেডিকেলে মরদেহ নিয়ে আসা নিহতের মামাতো ভাই নাজমুল হাসান মিলন জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মোশারফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবে প্রবেশ করেন। ছোট মেয়ে কয়েকদিন পরপরই সুইমিং করার জন্য অফিসার্স ক্লাবে যেতেন।
তিনি চোখে অনেক কম দেখতেন। তিনি আসলে লিফট খুঁজে পাচ্ছিলেন না; একবার সিঁড়ি দিয়ে নামছিলেন, একবার উঠছিলেন। এর মধ্যে নিচে থেকে কারেন্টের তার তোলার জন্য একটা ফাঁকা জায়গা আছে, সেখান দিয়ে তিনি অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলে মারা যান।
পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ কারণে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবে প্রবেশ করেন। পরে সেখানে নির্মাণাধীন একটি ভবনের পাশে সামনের সুইমিংপুলে মেয়েকে দিয়ে তিনি ভবনের ভেতরে যান। ঘণ্টাখানেক পর নিচতলায় সিঁড়ির পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। তিনি বনানীর একটি বাড়িতে পরিবারসহ বসবাস করতেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবের সুইমিংপুলে যান। তিনি চোখে কম দেখতেন। ওই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে যান। সেখানে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করেছি।
ডিসি জাহিদুল বলেন, এ বিষয়ে তার পরিবার ময়নাতদন্ত করতে না চাওয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, তার বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি বাংলাদেশে এলে তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দাফনকাজ সম্পন্ন করা হবে।
ঢাকা মেডিকেলে মরদেহ নিয়ে আসা নিহতের মামাতো ভাই নাজমুল হাসান মিলন জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মোশারফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবে প্রবেশ করেন। ছোট মেয়ে কয়েকদিন পরপরই সুইমিং করার জন্য অফিসার্স ক্লাবে যেতেন।
তিনি চোখে অনেক কম দেখতেন। তিনি আসলে লিফট খুঁজে পাচ্ছিলেন না; একবার সিঁড়ি দিয়ে নামছিলেন, একবার উঠছিলেন। এর মধ্যে নিচে থেকে কারেন্টের তার তোলার জন্য একটা ফাঁকা জায়গা আছে, সেখান দিয়ে তিনি অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলে মারা যান।
পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ কারণে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।