আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মণ্ডপে মণ্ডপে নিপুণ তুলির শেষ ছোঁয়ায় দেবী প্রতিমা সেজেছে বর্ণিল সাজে। চলছে শেষ মুহূর্তের জাঁকজমকপূর্ণ প্রস্তুতি। প্যান্ডেল নির্মাণ ও নান্দনিক আলোকসজ্জার কাজে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজক ও মৃৎশিল্পীরা। উৎসবের এই আবহ ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বইছে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিটি পূজামণ্ডপে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবারে এ উপজেলায় ১৩৯ টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক কুমার বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক আল্পনা গোস্বামী পৃথক বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, অতীতের যেকোনো বছরের তুলনায় এবার আরও উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ সম্প্রীতির পরিবেশে শারদীয় উৎসব উদযাপিত হবে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে এই উৎসব শুরু হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে প্রতিটি মণ্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল ইতিমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় পরিমাণে কিছুটা বেশি।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম রেজা জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে লক্ষ্যে পুলিশ নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইফ্ফাত জাহান তুলি জানান, মণ্ডপগুলোতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। শারদীয় উৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্প্রীতির পরিবেশে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। এ লক্ষ্যে পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও পূজামণ্ডপ ভিত্তিক বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিটি পূজামণ্ডপে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবারে এ উপজেলায় ১৩৯ টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক কুমার বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক আল্পনা গোস্বামী পৃথক বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, অতীতের যেকোনো বছরের তুলনায় এবার আরও উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ সম্প্রীতির পরিবেশে শারদীয় উৎসব উদযাপিত হবে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে এই উৎসব শুরু হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে প্রতিটি মণ্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল ইতিমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় পরিমাণে কিছুটা বেশি।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম রেজা জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে লক্ষ্যে পুলিশ নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইফ্ফাত জাহান তুলি জানান, মণ্ডপগুলোতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। শারদীয় উৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্প্রীতির পরিবেশে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। এ লক্ষ্যে পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও পূজামণ্ডপ ভিত্তিক বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।