নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩২৭টি শিশু।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট এক হাজার ৭৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট এক হাজার ১৭৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৯৯। এই সময়ে এক হাজার ২১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ২৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ৮ হাজার ৫৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৮৪০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট এক লাখ ৮৫ হাজার ৩৯০ রোগী, যাদের মধ্যে এক লাখ ৭৭ হাজার ৬৯৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৩২১, নতুন আক্রান্ত ১৯২০
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৯২০ জন। এছাড়া অক্টোবর মাসের প্রথম ১৩ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৭৬ জনের। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২১ জন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় একজন, ময়মনসিংহ বিভাগে একজন ও রাজশাহী বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭০ জন, খুলনা বিভাগে ২৫৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ জন, রংপুর বিভাগে ৭০ জন ও সিলেট বিভাগে ১৭ জন রয়েছেন।
চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক লাখ পাঁচ হাজার ৩১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মোট ৯৯ হাজার ২০১ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৯০৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনসহ চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সারা দেশে মোট ৩২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট এক হাজার ৭৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট এক হাজার ১৭৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৯৯। এই সময়ে এক হাজার ২১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ২৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ৮ হাজার ৫৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৮৪০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট এক লাখ ৮৫ হাজার ৩৯০ রোগী, যাদের মধ্যে এক লাখ ৭৭ হাজার ৬৯৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৩২১, নতুন আক্রান্ত ১৯২০
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৯২০ জন। এছাড়া অক্টোবর মাসের প্রথম ১৩ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৭৬ জনের। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২১ জন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় একজন, ময়মনসিংহ বিভাগে একজন ও রাজশাহী বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭০ জন, খুলনা বিভাগে ২৫৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ জন, রংপুর বিভাগে ৭০ জন ও সিলেট বিভাগে ১৭ জন রয়েছেন।
চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক লাখ পাঁচ হাজার ৩১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মোট ৯৯ হাজার ২০১ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৯০৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনসহ চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সারা দেশে মোট ৩২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।